শিরোনাম
Loading latest headlines...
কৃষি টিপ্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কৃষি টিপ্স লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

মঙ্গলবার, ১৯ অক্টোবর, ২০২১

ইসলামের দৃষ্টিতে, কাঁচা রসুন খাওয়ার ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কি?

মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৯, ২০২১ 0
ইসলামের দৃষ্টিতে, কাঁচা রসুন খাওয়ার ব্যাপারে কোনো নিষেধাজ্ঞা রয়েছে কি?
বার দেখা হয়েছে

পিয়াজ ও রসুন হালাল এবং অনেক উপকারী খাদ্যবস্ত্ত হওয়া সত্ত্বেও এর তীব্র গন্ধ অন্যের জন্য কষ্টকর হওয়ায় রাসূল (ছাঃ) কাঁচা পিয়াজ ও রসুন খেয়ে মসজিদে যেতে নিষেধ করেছেন। সুতরাং এই নিষেধাজ্ঞা কেবল মসজিদে জামা‘আতের সাথে সম্পৃক্ত। অবশ্য রান্না করা পিয়াজ ও রসুন খেতে কোন বাধা নেই। কাঁচা পিয়াজ-রসুন মাকরূহ হওয়ার মূল কারণটি হ’ল এর তীব্র গন্ধ। খাওয়ার পরে মিসওয়াক বা পেস্ট-ব্রাশের মাধ্যমে মুখ পরিষ্কার করলে ও গন্ধ দূর হ’লে আর সমস্যা থাকে না। একইভাবে অপরিষ্কার ও কটু গন্ধযুক্ত পোষাক পরে বা বিড়ি-সিগারেট খাওয়া মুখে মসজিদে বা মানুষের মধ্যে বসা অপসন্দনীয় কাজ। উল্লেখ্য, অনেকের মুখ থেকে সর্বদা দুর্গন্ধ বের হয়। যা তিনি বুঝতে পারেন না। অথচ পাশের লোক বিব্রত বোধ করে। এটি একটি রোগ। যা চিকিৎসার মাধ্যমে দ্রুত নিরাময় করা আবশ্যক।

রাসূল (ছাঃ) বলেন, যদি তোমরা খেতেই চাও, তবে রান্নার মাধ্যমে এ দু’টিকে মেরে ফেল (অর্থাৎ পাকিয়ে গন্ধমুক্ত করে ফেল)’ (আবুদাঊদ হা/৩৮২৭; মিশকাত হা/৭৩৬)

সহিহ মুসলিম, হাদিসঃ ১১৩৯ , সহিহ হাদিসঃ জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) পিঁয়াজ ও গোরসুন খেতে নিষেধ করেছেন। কিন্তু কোন এক সময় প্রয়োজনের তাগিদে বাধ্য হয়ে তা খেলে তিনি বললেনঃ কেউ এসব দুর্গন্ধযুক্ত গাছ (উদ্ভিদ) খেলে সে যেন আমার মাসজিদের নিকটে না আসে। কেননা মানুষ যেসব জিনিসে কষ্ট পায় মালাকগণও (ফেরেশ্‌তামণ্ডলী) সেসব জিনিসে কষ্ট পায়।

সহিহ বুখারি , হাদিসঃ ৮৫৬ , সহিহ হাদিসঃ ‘আবদুল ‘আযীয (রহঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আনাস ইব্‌নু মালিক (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম)–কে রসুন খাওয়া সম্পর্কে কী বলতে শুনেছেন? তখন আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি এ জাতীয় গাছ হতে খায় সে যেন অবশ্যই আমাদের নিকট না আসে এবং আমাদের সাথে সালাত আদায় না করে।

সুনানে ইবনে মাজাহ , হাদিসঃ ১০১৪ , সহিহ হাদিসঃ উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) জুমুআহর খুতবাহ দিতে দাঁড়ান অথবা তিনি জুমুআহর দিন খুতবাহ দেন। তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করার পর বলেন, হে লোকসকল! তোমরা দু’টি গাছ খেয়ে থাকো, আমার দৃষ্টিতে তা নিকৃষ্টঃ এই রসুন ও এই পিয়াজ। আমি রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর যুগে দেখতাম, যার মুখ থেকে এর দুর্গন্ধ পাওয়া যেতো, তার হাত ধরে তাকে আল-বাকী নামক স্থানের দিকে বের করে দেয়া হতো। অতএব যে ব্যক্তি তা খেতেই চায়, সে যেন তা রান্না করে খায়।

সহিহ মুসলিম , হাদিসঃ ১১৪০ , সহিহ হাদিসঃ জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ আবুত্‌ ত্বহির-এর বর্ণনায় (আরবি) এবং হারমালাহ্‌-এর বর্ণনায় (আরবি) উল্লেখিত হয়েছে। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি রসুন ও পিঁয়াজ খায় তার উচিত আমাদের থেকে দূরে থাকা অথবা আমাদের মসজিদ থেকে সরে থাকা কিংবা বাড়ীতে বসে থাকা। কোন এক সময় তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) -এর কাছে শাক-সব্জি ভর্তি একটি ডেকচি আনা হলে তিনি তাতে খাবার গন্ধ দেখে তাতে কি আছে জানার জন্য জিজ্ঞেস করলেন। তাতে কি ধরনের সব্জি আছে তাকে তা জানানো হলে তিনি তখন তার কোন তার সহাবীর কাছে তা নিয়ে যেতে বললেন। এ কথা জেনে সহাবীও তা খাওয়া পছন্দ করলেন না। তিনি (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাকে বললেনঃ তুমি খেতে পার। কারণ আমি যার (মালায়িকাহ্‌) সাথে কথা বলি তোমাকে তো তার সাথে কথা বলতে হয় না।

উপরের সকল বিশুদ্ধ তথ্য প্রমান থেকে আমরা জানতে পারলামঃ

১/ নবীজি মুহাম্মদ (সা) পেঁয়াজ রসূন খেতে এই কারনে নিষেধ করেছেন যে পেঁয়াজ ও রসূন কাঁচা খেলে মুখ থেকে বাজে গন্ধ বের হয় ।

২/ নবীজি মুহাম্মদ (সা) সাহাবীদেরকে পেঁয়াজ রসূন খেতে বলেছেন ।

৩/ পেঁয়াজ রসূন খেলে মুখ না পরিস্কার করে মসজিদে এবং মানুষের কাছে আসা ভাল না এতে মুখের গন্ধে মানুষ ইতস্ত বোধ করবে ।

৪/ পেঁয়াজ ও রসূন রান্না করে খাওয়া উচিৎ যেন খাদ্য থেকে গন্ধ না আসে ।

৫/ নবীজি মুহাম্মদ (সা) কখনো বলেননি যে পেঁয়াজ রসূন খেও না বরং গন্ধ আসার কারনে দূরে যেয়ে খেতে বলেছেন ।

৬/ধর্মের অন্ধ বিশ্বাসীরা যে দাবি করেছে "ইসলামে পেঁয়াজ রসূন খাওয়া নিষেধ" এই কথা নিঃসন্দেহে ভুল ।

৭/ পেঁয়াজ রসূন খাদ্যের ব্যাপারে ইসলামে আইন হল ঐচ্ছিক আইন অথবা অপশনাল আইন অর্থাৎ কেউ চাইলে পেঁয়াজ রসূন খেতে পারে আবার নাও পারে তবে শর্ত হল যদি খায় তাহলে খাওয়ার পরে মুখ পরিস্কার করবে যেন মুখ থেকে বাজে গন্ধ না আসে , মুখে গন্ধ নিয়ে মসজিদে যাওয়া ভাল নয় এতে অন্য মানুষদের কষ্ট হওয়া স্বাভাবিক ।

৮/ মানুষের কষ্ট হবে তাই মুখে গন্ধ নিয়ে অন্য মানুষের সাথে কথা না বলাই ইসলামের শিক্ষা পক্ষান্তরে নাস্তিক ধর্ম যেহেতু ইসলামের বিপরীত তাই ইসলামের বিরোধিতা করতে হলে সকল সহিহ নাস্তিকদের মুখ পরিস্কার করতে পারবে না অর্থাৎ মুখে গন্ধ নিয়েই মানুষের সাথে কথা বলতে হবে । তানা হলে ইসলামের বিরোধিতা সঠিক ভাবে করবেন কিভাবে ?

৯/ সুতরাং পেঁয়াজ রসূন খাওয়া ইসলামে নিষেধ না বরং পেঁয়াজ রসূন খেতে হলে ইসলাম কিছু শর্ত দিয়ে দেয় সেগুলা মানলেই খাওয়া যাবে । নবীজি মুহাম্মদ (সা) পেঁয়াজ ও রসূনের গন্ধ লাইক করতেন না তাই তিনি খেতেন না কিন্তু কেউ খেলে তিনি নিষেধও করতেন না । এটাই ইসলামের সিস্টেম ।

স্বাস্থ্যরক্ষায় রসুন খাওয়ার চল বহু দিনের। খ্রিস্টপূর্ব ১৫০০ শতকে চিন ও ভারতে রক্ত পাতলা রাখার জন্য এর প্রচলন ছিল। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের জনক হিপোক্রেটিসও একে ব্যবহার করেছিলেন সারভাইকাল ক্যানসারের চিকিৎসায়। লুই পাস্তুর এর অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল গুণের খবর জানান। সময়ের সঙ্গে আরও উপকারের কথা জানা গিয়েছে।

আধুনিক বিজ্ঞানীরা জানালেন হৃদরোগ প্রতিরোধে এর ভূমিকার কথা। ইউনিভার্সিটি অফ কানেটিকাটের স্কুল অফ মেডিসিন–এর কার্ডিওভাসকুলার রিসার্চ টিমের বিজ্ঞানীদের দাবি, কাঁচা রসুন খেলে হার্ট অনেক বেশি সুস্থ থাকে। রক্তচাপ বশে রাখতেও তার ভূমিকা আছে।

• নিয়মিত রসুন খেলে মোট কোলেস্টেরল ও খারাপ কোলেস্টেরল এলডিএলের প্রায় ১০–১৫ শতাংশ কমে যায়। তবে উপকারি কোলেস্টেরল বা এইচডিএল বাড়াতে ও ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে এর কোনও ভূমিকা নেই।

• বিপাকীয় ক্রিয়া ও পরিবেশ দূষণের ফলে শরীরে যে ফ্রি র‌্যাডিক্যালস তৈরি হয় তা হার্ট তথা সমস্ত শরীরের জন্য ক্ষতিকর। রসুনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট সেই ক্ষতি খুব ভাল ভাবে ঠেকাতে পারে। কোভিডেও উপকার হয় তাতে।

• হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ শুভ্র বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, যে সমস্ত হৃদরোগী নিয়মিত রসুন খান, তাঁরা অনেক বেশি সক্রিয় থাকেন। তবে এ বিষয়ে অনেক গবেষণার প্রয়োজন।

• আয়ুর্বেদ বলছে, সবচেয়ে ভাল ফল পেতে গেলে সাপ্লিমেন্ট না খেয়ে খেতে হবে কাঁচা রসুন।



মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২০

আমের গুটি ঝরা রোধ থেকে নিশ্চিন্ত থাকতে যা যা করনীয়?

মঙ্গলবার, মার্চ ১০, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে



আম চাষিদের জন্য চলতি মৌসুম খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এ সময় অনেক চাষিকে নানা ধরনের সমস্যায় পড়তে হয়। এরমধ্যে আমের গুটি ঝরা অন্যতম। আম গাছে গুটি আসার পর নানা কারণে তা ঝরে যায়। তাই এসব কারণ ও প্রতিকার সম্পর্কে জানতে হবে।
প্রাকৃতিক কারণ: আম গাছে প্রতি মুকুলে ১ হাজার থেকে ৬ হাজারটি পর্যন্ত পুরুষ ও স্ত্রী ফুল থাকে। তারমধ্যে প্রাথমিকভাবে প্রতি থোকায় জাতভেদে এক থেকে ৩০টি আমের গুটি ধরতে দেখা যায়। গুটি আসার ২৫-৫০ দিনের মধ্যে প্রতি থোকায় মাত্র এক-দু’টি গুটি থাকে। বাকি গুটি প্রাকৃতিক বা অভ্যন্তরীণ কারণে ঝরে যায়। তবে কোন কোন মুকুলে চার-পাঁচটি আম ধরতে দেখা যায়। এ ক্ষেত্রে আমের আকার ছোট হয়।
প্রতিকার: অতিরিক্ত গুটি ঝরে না পড়লে আমের আকার ছোট হয়। ফলে আমের গুণগতমান ও ফলন কমে যায়। প্রতিটি মুকুলে একটি করে গুটি থাকলে সে বছর আমের বাম্পার ফলন হয়। তবে প্রতি মুকুলে আমের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য ফুল ফোটার ১০-২০ দিন পর দুইবার দশ লিটার পানিতে ৬ গ্রাম হারে বোরিক অ্যাসিড স্প্রে করলে ভালো হয়। এছাড়া সব ফুল ফোটা অবস্থায় জিবেরেলিক অ্যাসিড প্রতি লিটার পানিতে ৫০ মিলিগ্রাম হারে স্প্রে করলে আমের গুটি ঝরা কমে যায়।
মাটিতে রসের অভাব: মাটিতে রসের অভাব হলেও আমের গুটি ঝরে যায়। আমের বৃদ্ধির প্রাথমিক পর্যায়ে অর্থাৎ মার্চ-এপ্রিল মাসে বৃষ্টিপাত কম হওয়ায় মাটিতে রসের অভাব দেখা দেয়। মাটিতে রসের অভাব হলে আমের বোঁটায় তাড়াতাড়ি নির্মোচন স্তর গঠিত হয়। ফলে আমের গুটি ঝরে যায়।
প্রতিকার: মাটিতে রসের অভাবে আমের গুটি ঝরে গেলে গাছের চারপাশে নিয়মিত সেচ দিতে হবে। আমের গুটি মটরদানার মতো হলেই প্রথমে একবার গাছের গোড়ায় পানি সেচ দিতে হবে। প্রথম সেচ দেওয়ার পর থেকে বৃষ্টিপাত না হওয়া পর্যন্ত ১৫ দিন পরপর সেচ দিতে হবে। সেচের পাশাপাশি হরমোন প্রয়োগ করেও আমের গুটি ঝরা কমানো যায়। আমের গুটি মটরদানার মতো হলে প্রতি লিটার পানিতে ২০ গ্রাম ইউরিয়া সার অথবা প্রতি ৪.৫ লিটার পানিতে দুই মিলিলিটার হারে প্লানোফিক্স হরমোন পানিতে মিশিয়ে হালকা সূর্যের আলোয় আমের গুটিতে স্প্রে করলে গুটি ঝরা কমে যায়।
পোকার আক্রমণে: গুটি আসার পর প্রাথমিক পর্যায়ে আমের গুটিতে হপার পোকার আক্রমণ হতে পারে। এ পোকার পূর্ণবয়স্ক মথ ও কিড়া গুটির রস শোষণ করে খায়, ফলে আমের গুটি শুকিয়ে ঝরে যায়।
প্রতিকার: গুটি মটরদানার মতো হলেই কীটনাশক ও ছত্রাকনাশক একসাথে পানিতে মিশিয়ে গুটিতে স্প্রে করতে হবে। কীটনাশকের মধ্যে সাইপরমেথ্রিন ১০ ইসি বা ল্যামডা সাই হ্যালাথ্রিন ২.৫ ইসি বা ফেন ভেলারেট ২০ ইসি গ্রুপের যে কোন একটি কীটনাশক প্রতি লিটার পানিতে এক মিলিলিটার হারে এবং ছত্রাকনাশকের মধ্যে মেনকোজেব ৮০ ডচ গ্রুপের যে কোন একটি প্রতি লিটার পানিতে দুই গ্রাম হারে একসাথে মিশিয়ে গুটিতে স্প্রে করতে হবে।
ফল ছিদ্রকারী পোকা: আমের গুটি মার্বেল আকৃতির হলে ফল ছিদ্রকারী পোকার আক্রমণ হতে পরে। এ ক্ষেত্রে পূর্ণবয়স্ক পোকা আমের নিচের অংশে খোসার ওপরে ডিম পাড়ে। কয়েক দিনের মধ্যে ডিম ফুটে লার্ভা বের হয় এবং লার্ভা খুব ছোট বিন্দুর মতো ছিদ্র করে আমের ভেতর ঢুকে পড়ে। প্রথমে শাঁস ও পরে আঁটি খাওয়া শুরু করে। পরে আক্রান্ত স্থান কালো হয়ে যায় এবং কোনো কোনো সময় আম ঝরে পড়ে।
প্রতিকার: এ সমস্যা দেখা দিলে আমবাগান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। এমনকি গাছের মরা ডালপালা ছেঁটে ফেলতে হবে।
কৃষি কাগজ/এস এম



ফটো গ্যালারী

1/6
ওহুদ যুদ্ধ - হযরত মহাম্মদ (সা:) এর বিপ্লবী জীবন
2/6
মুসলিম নারীর বিধান
3/6
ইসলামি অর্থনীতিতে উপার্জন ও ব্যয়ের নীতিমালা
4 / 6
ইসলামীক জিজ্ঞাসাঃ লাঠি হাতে নিয়ে জুমার খুতবা দেয়া কি সুন্নত?
5/6
মসজিদে নববী যিয়ারতের কিছু আদব-কায়দা
6/6
উম্মাতে মুসলিমার দায়িত্ব

Islam-icon Profile.png