শিরোনাম
Loading latest headlines...

মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ, ২০২০

করোনাভাইরাসঃ কিছু ভ্রান্ত ধারনা ও বাস্তবতা

মঙ্গলবার, মার্চ ৩১, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

বাংলাদেশ ঘনবসতিপূর্ণ দেশ হওয়ার কারনে এখানকার মানুষের এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অন্য যেকোন দেশের চেয়ে বেশি। চলুন জেনে নিই বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশিত কিছু প্রচলিত বিভ্রান্তিমূলক তথ্য ও এর বিপরীতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রকৃত বাস্তবতা।

করোনাভাইরাস নিয়ে প্রচলিত কিছু গুজব ও প্রকৃত বাস্তবতা
১. গুজবঃ গরম ও আর্দ্র আবহাওয়ায় করোনাভাইরাস ছড়ায় না।

বাস্তবতাঃ এখন পর্যন্ত এই ধারনার স্বপক্ষে কোন প্রমান পাওয়া যায়নি। করোনাভাইরাস যেকোন এলাকায় ছড়াতে পারে। যেসব এলাকার আবহাওয়া গরম ও আর্দ্র, সেসব এলাকায়ও।
 
২. গুজবঃ ঠান্ডা আবহাওয়া ও তুষারপাতে করোনাভাইরাস মারা যায়।
বাস্তবতাঃ ঠান্ডা আবহাওয়া নতুন করোনাভাইরাসকে মেরে ফেলতে পারে বা অন্য কোন রোগ সারিয়ে দিতে পারে, এমনটি বিশ্বাস করার কোন কারন নেই। মানবদেহের স্বাভাবিক তাপমাত্রা ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাহ্যিক তাপমাত্রা বা আবহাওয়ার কোন প্রভাব এর উপর পড়ে না।
 
৩. গুজবঃ গরম পানিতে গোসল করলে করোনাভাইরাস ঠেকানো যাবে।
বাস্তবতাঃ গরম পানিতে গোসল করলে করোনাভাইরাস ঠেকানো যাবে না। কারন, গোসলের সময় পানির তাপমাত্রা যাই হোক না কেন আপনার দেহের স্বাভাবিক তাপমতারা ৩৬.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসই থাকবে। বরং, খুব বেশি গরম পানি দিয়ে গোসল করলে আপনার শরীরের ক্ষতি হতে পারে, শরীর পুড়েও যেতে পারে।

৪. গুজবঃ মশার মাধ্যমে করোনাভাইরাস ছড়ায়।
বাস্তবতাঃ এখন পর্যন্ত এই ধারনার পক্ষে কোন প্রমান পাওয়া যায়নি।

৫. গুজবঃ হাত শুকানোর যন্ত্র করোনাভাইরাসকে মারতে কার্যকর।
বাস্তবতাঃ না, হাত শুকানোর যন্ত্র করোনাভাইরাসকে মারতে কার্যকর নয়।
 
৬. গুজবঃ ইউভি ল্যাম্প নতুন করোনাভাইরাসকে মেরে ফেলতে পারে।
বাস্তবতাঃ না। বরং এটা ত্বকের জন্য ক্ষতিকর। কারন, ইউভি ল্যাম্প থেকে তেজস্ক্রিয়তা নির্গত হয়।
৭. গুজবঃ নতুন করোনাভাইরাস শনাক্তকরনে থার্মাল স্ক্যানার কাজে আসে।
বাস্তবতাঃ আংশিক সত্য। নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার ফলে জ্বর এসেছে, শুধু এমন লোকজনকে শনাক্ত করার ক্ষেত্রেই থার্মাল স্ক্যানার কাজে আসে। কিন্তু আক্রান্ত হলেও জ্বর আসেনি, থার্মাল স্ক্যানার এমন কাউকে শনাক্ত করতে পারেনা।
৮. গুজবঃ সারাদেহে অ্যালকোহল বা ক্লোরিন স্প্রে করলে নতুন করোনাভাইরাস মারা যায়।
বাস্তবতাঃ না, মারা যায় না। যেসব ভাইরাস ইতোমধ্যেই আপনার শরীরে প্রবেশ করেছে, সেগুলোকে মারার সক্ষমতা অ্যালকোহল বা ক্লোরিনের নেই। চোখমুখ বা কাপড়ে এসব স্প্রে করাটা বরং ক্ষতিকর হতে পারে। মনে রাখতে হবে, সংক্রমণ রোধে অ্যালকোহল বা ক্লোরিন ভূমিকা রাখে ঠিকই, তবে সেটা যথাযথ নির্দেশিনা মেনে ব্যবহার করতে হবে।

৯. গুজবঃ নিউমোনিয়ার ভ্যাকসিন নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমন থেকে বাঁচায়।
বাস্তবতাঃ এটি সঠিক নয়। নিউমোনিয়া বা অন্য কোন রোগের ভ্যাকসিন নতুন করোনাভাইরাসের হাত থেকে বাঁচাবে না। এই ভাইরাসটা এতটাই নতুন এবং আলাদা যে, এর জন্য নতুন ভ্যাকসিন প্রয়োজন। গবেষকরা নতুন এই ভাইরাসের জন্য ভ্যাকসিন আবিষ্কারের চেষ্টা করছেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এ ব্যাপারে তাদের সাহায্য করছেন।

১০. গুজবঃ নাকে নিয়মিত স্যালাইন লাগালে নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমন থেকে বাঁচা যাবে।
বাস্তবতাঃ এখন পর্যন্ত এই ধারনার পক্ষে কোন প্রমান পাওয়া যায়নি।

১১. গুজবঃ রসুন খেলে করোনাভাইরাস ঠেকানো যাবে।
বাস্তবতাঃ রসুন স্বাস্থ্যকর খাবার। এর কিছু এন্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্যও আছে। কিন্তু বর্তমান প্রাদুর্ভাব থেকে এমন কোন প্রমান পাওয়া যায়নি যে, রসুন খেলে নতুন করোনাভাইরাস সংক্রমণ ঠেকানো যাবে।

১২. গুজবঃ নতুন করোনাভাইরাসে শুধু বয়স্ক মানুষেরাই আক্রান্ত হবে।
বাস্তবতাঃ যেকোন বয়সের মানুষ নতুন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হতে পারেন। তবে অ্যাজমা, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ আছে, এমন বয়স্ক মানুষদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি এবং এরা সংক্রমিত হলে তীব্র অসুস্থতায় পড়তে পারেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার পরামর্শ হচ্ছে, সব বয়সের মানুষের উচিৎ নিজেদেরকে এই ভাইরাস থেকে নিরাপদ রাখা। যেমন, নিয়মিত হাত পরিষ্কার করা এবং শ্বাসপ্রশ্বাসের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত ভদ্রতা চর্চার ব্যপারে গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

১৩. গুজবঃ অ্যান্টিবায়োটিক খেলে করোনাভাইরাস ঠেকানো যাবে এবং সংক্রমিত হলেও রোগ ভাল হয়ে যাবে।
বাস্তবতাঃ এটা সঠিক নয়। অ্যান্টিবায়োটিক এই নতুন ভাইরাসের ক্ষেত্রে কার্যকরি নয়। এগুলো শুধু ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে কার্যকর।

১৪. গুজবঃ নতুন করোনাভাইরাস ঠেকানোর পদ্ধতি বা এর চিকিৎসা এসে গেছে।
বাস্তবতাঃ এটাও সঠিক নয়। নতুন করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে বা চিকিৎসার জন্য এখন পর্যন্ত কোন ঔষধ তৈরি হয়নি।

নতুন করোনাভাইরাসে সংক্রমিত ব্যক্তিদের যথাযথ যত্নের প্রয়োজন। অসুস্থ মানুষদের প্রয়োজন সর্বোচ্চ সহায়তামূলক সেবা। কিছু সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা পরীক্ষাধীন আছে, ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের ভেতর দিয়ে যাদের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হচ্ছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তার অংশীদারদের সাথে গবেষনা ও উন্নয়নের প্রচেষ্টা ত্বরান্বিত করতে সহায়তা করছে।



রবিবার, ২৯ মার্চ, ২০২০

মেথির ১০টি আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য গুনাগুণ

রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

মসলা, খাবার, পথ্য মেথিকে এই তিনটিই বলা যায়। এর পাতা শাক হিসাবে গ্রামের মানুষের একটি প্রিয় খাবার।  যুগ যুগ ধরে কবিরাজী ও লোকজ চিকিৎসায় মেথির বীজ ব্যবহার হয়ে আসছে। এছাড়া মশলা অর্থাৎ পাঁচ ফোড়নের একটি উপাদান হিসাবেও এটি ব্যবহার  করা হয়। মেথি বীজে রয়েছে নানা উপকারি উপাদান যা শরীরের অনেক উপকারে লাগে। চলুন জেনে নিই মেথির আশ্চর্যজনক স্বাস্থ্য গুনাগুণ সম্পর্কে।

মেথির বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা
প্রোটিন,ভিটামিন-সি, পটাসিয়াম, আয়রন, জিঙ্ক, কপার, ম্যাগনেশিয়াম, ক্যালসিয়াম প্রভৃতির অনন্য এক উৎস হচ্ছে মেথি। ১০০ গ্রাম মেথি শাক থেকে ৫০ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া ছাড়াও ১.৫ গ্রাম (৭%) স্যাচুরেটেড ফ্যাট, ৬৭ মিলিগ্রাম (২%) সোডিয়াম, ৭৭০ মিলিগ্রাম  (২২%)  পটাশিয়াম, ৫৮ গ্রাম (১৯%) কার্বোহাইড্রেট এবং ২৩ গ্রাম (৪৬%) প্রোটিন পাওয়া যায় যা মানব শরীরের জন্য অত্যন্ত দরকারি। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। নিয়মিত মেথি খাওয়ার নানা উপকারিতা নিম্নে বর্ণনা করা হলো-

১। শরীরের ক্ষতিকর কোলেস্টেরল কমাতে   

মেথিতে থাকে স্টেরিওডাল সেপোনিনস নামক উপাদান যা শরীরে থাকা কোলেস্টেরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। এছাড়া এতে গ্লেকটোম্যানান নামক আরেকটি  উপাদানের খোঁজ পাওয়া গেছে যা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া এতে থাকা পটাশিয়াম রক্তে লবনের পরিমাণ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে যার ফলে ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণে থাকে। তাই নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি পান করলে হঠাৎ করে স্ট্রোক বা হার্ট অ্যাটাকের মাত্রা অনেক কমিয়ে আনা সম্ভব।

২। রক্তে সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে
যাদের কম বয়সেই রক্তে চিনির পরিমাণ অর্থাৎ ব্লাড সুগার ঊর্ধমুখি থাকে তারা নিয়মিত মেথি ভেজানো পানি খেতে পারেন। এটি তাদের শরীরে গ্লেকটোমেনানের পরিমাণ বাড়ানো ছাড়াও দেহে শর্করার শোষণের পরিমাণ কমিয়ে আনে। এতে রক্তে সুগার লেভেল বাড়ার আশঙ্কা  অনেক কমে যায়। এছাড়া মেথিতে থাকা অ্যামাইনো অ্যাসিড ইনসুলিনের কর্মক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয় ফলে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় না।

৩। হজম শক্তি বৃদ্ধিতে
সহজ উপায়ে দেহে হজম শক্তি বৃদ্ধি করতে মেথি বীজ দারুণ ভুমিকা রাখতে পারে। মেথিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা বাওয়েল মুভমেন্টে উন্নতি করে হজমে অনেক সহায়তা করে থাকে। তাই কনস্টিপেশনের সমস্যা দূর করতে নিয়মিত সকালে খালি পেটে মেথি ভেজানো পানি খাওয়া যেতে পারে।

৪। দেহের ওজন কমাতে
প্রতিদিন সকালে মেথি ভেজানো পানি পান করলে তা শরীরের স্থূলতা কমাতে সাহায্য করে। কেউ যদি প্রতিদিন সকালে খালি পেটে মেথি বীজ পানিতে ভিজিয়ে খাওয়ার অভ্যাস করে তাহলে তাঁর শরীরে ধীরে ধীরে ফাইবারের মাত্রা বাড়তে থাকে। এতে একদিকে যেমন তাঁর ক্ষিদে কমে যায় অন্যদিকে অতিরিক্ত খাবার গ্রহনেও লাগাম পরে। এতে শরীরের ওজন আস্তে আস্তে কমতে শুরু করে।

৫। জ্বরের প্রকোপ কমাতে ও সর্দি-কাশি সারাতে
আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণে অনেক সময় জ্বর হয়। এ অবস্থায় কেউ যদি এক গ্লাস মেথি বীজের পানি পান করেন তাহলে অনেক উপকার পেটে পারেন। মেথিতে বেশ কিছু উপকারি উপাদান রয়েছে যা দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে অনেক বৃদ্ধি করে এবং দ্রুত জ্বরের প্রকোপ কমাতে  সাহায্য করে।  এছাড়া সর্দি-কাশি সারাতেও ঘরোয়া চিকিৎসা হিসাবে এর বিকল্প নেই বললেই চলে।

৬।  চুল পড়া রোধে
বহুকাল ধরে চুল পড়া রোধে মেথির ব্যবহার হয়ে আসছে। স্বাস্থ্যহীন চুলের সৌন্দর্য ফিরিয়ে আনতে নিয়মিত খাওয়া ছাড়াও বেটে মাথায় দেওয়া যেতে পারে। এজন্য মেথি বাটা নারিকেল তেলের মধ্যে সারা রাত চুবিয়ে রেখে সকালে চুলে মেখে এর ঘণ্টাখানেক পর গোসল করে ফেললে যথেষ্ট উপকার পাওয়া সম্ভব।

৭। ত্বক উজ্জ্বল রাখতে
রূপচর্চায়ও মেথির ভুমিকা অপরিসীম। চেহারায় বলিরেখা দেয়ার জন্য দায়ী নানা ক্ষতিকর উপাদান দূর করতে মেথির ব্যবহার করা যায়। এ ছাড়া চোখের নিচে কালো দাগ দূর করতেও মেথির ভুমিকা রয়েছে।

৮। খুশকি দূর করতে
অনেকের চুলে প্রচুর খুশকি হয়ে থাকে যা মাথার শুষ্ক ও মৃত ত্বকের কারণে হয়ে থাকে।  খুশকির সমস্যা দূর করতে মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে রেখে বেটে পেস্ট তৈরি করতে হবে তবে চাইলে এর সাথে দই মেশানো যেতে পারে। এই মিশ্রণ মাথার ত্বকে লাগিয়ে তিরিশ মিনিট পর ধুয়ে ফেলতে হবে। নিয়মিত এর ব্যবহারে দ্রুত খুশকি চলে যাবে।

৯। মহিলাদের ঋতুকালীন ও প্রসবজনিত সমস্যার সমাধানে
মেথিতে সাইটো-ইস্ট্রোজেন নামক উপাদান থাকে যা নারীদেহে প্রোলাকটিন নামের হরমোনের মাত্রার বৃদ্ধি্তে সাহায্য করে। এই হরমোন নারীদেহকে সুগঠিত করতে সাহায্য ছাড়াও ঋতুকালীন বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে খুবই কার্যকরী। এছাড়া বিশেষজ্ঞরা জরায়ুর সংকোচন ও প্রসারণের যন্ত্রণা কমাতে মেথির অবদান প্রমান করেছেন। তবে অতিরিক্ত খাওয়া হলে গর্ভপাত বা অপরিণত শিশুর জন্মদানের আশঙ্কা দেখা দিতে পারে। তাই অবশ্যই গর্ভবতী মায়েদের আগে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে তারপর খেতে হবে।

১০। ক্যান্সারকে দূরে রাখতে
রক্তে যদি টক্সিক উপাদানের মাত্রা বাড়তে থাকে তাহলে  ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কাও  বেড়ে যায়। আর এই ক্যান্সারকে দূরে রাখতে মেথি বীজের রয়েছে গুরুত্বপুর্ণ ভূমিকা। এতে থাকা ক্যান্সার প্রতিরোধী উপাদান রক্তে ভেসে বেরানো টক্সিক উপাদানগুলোকে শরীর থেকে বের করে দিতে সাহায্য করে। তাই শরীরে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়া প্রতিরোধ করতে নিয়মিত মেথিশাক কিংবা এর বীজ খাওয়া উচিত।

গত কয়েক দশক ধরে  দেশ ও বিদেশে একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে মেথি বীজে রয়েছে প্রচুর মাত্রায় প্রোটিন, উপকারি ফ্য়াট, ভাল কোলেস্টেরল, ডায়াটারি ফাইবার এবং আরও বেশ কিছু খনিজ এবং মিনারেল। এসব উপাদান নানাভাবে শরীরের উপকারে লাগে। তাই সুস্থ থাকতে চাইলে নিয়মিত মেথির ব্যবহার করতে হবে। 



করোনাভাইরাস ও সেলফ আইসোলেশন

রবিবার, মার্চ ২৯, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

আমাদের সাধারন মানুষের কাছে শব্দ দুটির অর্থ প্রায় একই হলেও, স্বাস্থ্যকর্মীদের কাছে আইসোলেশন ও কোয়ারেন্টিনের মানে সম্পূর্নই আলাদা। চলুন জেনে নিই সেলফ আইসোলেশন কি, এবং এ সময় কি কি করনীয়।
সেলফ আইসোলেশন কি?
সেলফ আইসোলেশন হচ্ছে কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস থেকে সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তির পরিবার, বন্ধু কিংবা সহকর্মীদের সুরক্ষার জন্য একটি কার্যকরী প্রতিরোধমূলক উপায়। বিদেশ থেকে আগত ব্যক্তি বা করোনাভাইরাস আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এসেছেন, এমন ব্যক্তির জন্যই ১৪ দিনের সেলফ আইসোলেশন প্রযোজ্য।

আমরা সবাই জানি যে আমরা একটি দূর্যোগপূর্ন সময় পার করছি, এ সময় আমাদের এধরনের প্রতিরোধ্মূলক ব্যবস্থা শুধু আমাদেরকেই না, বরং আমাদের পরিবার, আত্মীয়-স্বজন ও সর্বোপরি দেশের সকলকে এই ভাইরাসজনিত রোগ থেকে নিরাপদ রাখতে পারে।

বাহিরের লোকের সাথে সরাসরি যোগাযোগ যথাসম্ভব এড়িয়ে চলতে হবে। সম্ভাব্য আক্রান্ত ব্যক্তি যদি বাসায় অবস্থান করেন, সেক্ষেত্রে পরিবারের অন্যান্যরা যারা বিদেশ ভ্রমন করেননি বা অন্য কোন আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসেননি, তাদের কাছ থেকে অন্তত ১ মিটার বা ৩ ফুট দূরত্ব বজায় রাখতে হবে; এবং আক্রান্ত ব্যক্তির খাবার প্লেট, বাটি, কাপ, চামচ, গ্লাস, তোয়ালে, বালিশ ও অন্যান্য ব্যবহার্য্য জিনিসপত্র ব্যবহার করা যাবেনা। আক্রান্ত ব্যক্তির জিনিসপত্র ব্যবহারের পরপর সাবান দিয়ে ভালভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে।

সেলফ আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় কোভিড-১৯ বা করোনা ভাইরাস আক্রান্তের লক্ষণ দেখা দিলে, যেমন – কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট দেখা দিলে দেরি না করে আইইডিসিআর এর জরুরি হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন।

সাধারন পরামর্শ
১. সেলফ আইসোলেশনের ক্ষেত্রে অন্তত ১৪ দিন বাসায় অবস্থায় করতে হবে।
২. আপনার প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য আপনার নিয়োগকর্তা, বন্ধু এবং পরিবারের সদস্যের কাছে সাহায্য নিন।
৩. বাড়িতে থেকেই কাজ করার জন্য আপনার নিয়োগকর্তার সাথে যোগাযোগ করুন।
৪. কেনাকাটার জন্য অনলাইন শপগুলোর সাহায্য নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে পন্য ডেলিভারি আপনার বাসার দরজা পর্যন্ত রেখে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করুন।
৫. বন্ধু ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে যোগাযোগের জন্য ফোন ও ইন্টারনেট ব্যবহার করুন; সরাসরি যোগাযোগ বা সংস্পর্শ পরিহার করুন।

৬. সেলফ আইসোলেশনের সময় শরীর ঠিক রাখার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করুন। এক্ষেত্রে বিভিন্ন অনলাইন কোর্স করতে পারেন।

৭. ১৪ দিনের সেলফ আইসোলেশনের সময় যেকোন ধরনের গণপরিবহন, ট্যাক্সি বা এ জাতীয় বাহন পরিহার করুন।
৮. সেলফ আইসোলেশনে থাকা অবস্থায় পরিবারের অন্যান্যদের সাথে নিবিড় সংস্পর্শ পরিহার করুন, এমনকি একই বিছানা, কাপড় ও খাবার শেয়ার করা থেকে বিরত থাকুন।
৯. ব্যক্তিগত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন। নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। সাবান দিয়ে হাত ধোয়ার সময় অন্তত ২০ সেকেন্ড ধরে হাত ধুতে হবে। হ্যান্ড স্যানিটাইজারও ব্যবহার করতে পারেন।
১০. অপরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন।
১১. কাশি ও হাঁচি দেয়ার সময় টিস্যু দিয়ে মুখ ঢেকে রাখুন অথবা হাতের কনুই দিয়ে নাক ও মুখ ঢাকুন।
১২. ব্যবহৃত টিস্যু ঢাকনাযুক্ত ডাস্টবিনে ফেলে দিন এবং সাথে সাথে হাত ধুয়ে ফেলুন।
১৩. শিশুদের করোনাভাইরাস সম্পর্কে সহজ ভাষায় বুঝিয়ে বলুন।
১৪. বিভিন্ন দেশের আক্রান্ত ব্যক্তিদের তথ্য উপাত্ত বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যক্তি যেমন হৃদরোগে আক্রান্ত, ডায়াবেটিস আছে কিংবা উচ্চরক্তচাপে ভুগছেন, এমন মানুষ বেশি ঝুঁকিতে আছেন। এক্ষেত্রে তাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ পরিহার করুন।

কোভিড-১৯ ভাইরাসে আক্রান্ত ব্যক্তিদের যথাযথ যত্নের প্রয়োজন। অসুস্থ মানুষদের জন্য প্রয়োজন সর্বোচ্চ সহায়তামূলক সেবা।

ভাইরাসের কোন উপসর্গ দেখা দিলে সরকারের রোগতত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (আইইডিসিআর) সাথে যোগাযোগ করুন এবং আসুন আমরা সবাই উপরোক্ত বিষয়গুলোর দিকে সর্বদা খেয়াল রেখে আমাদের জীবন যাপন করি তাহলে আমরা সহজেই এরোগ থেকে অনেকটা নিজেদের দূরে রাখতে পারব।



শনিবার, ২৮ মার্চ, ২০২০

শীতের সবজি 'বিট' খাওয়ার অসাধারণ কিছু উপকারিতা

শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

আমরা বাজারে গেলে নানান ধরনের সবজি কিনলেও একটি সবজি প্রায়ই এড়িয়ে চলি যার নাম বিট। এটি একটি উপকারি শীতকালীন সবজি যার উপকারিতা অনেকেরই অজানা।এর রয়েছে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা সহ চমকে যাওয়ার মতো অনেক স্বাস্থ্য উপকারিতা। চলুন জেনে নিই বিট খাওয়ার কিছু চমৎকার কিছু উপকারিতা সম্পর্কে। 

বিটের বিভিন্ন পুষ্টি গুনাগুণ
বিটে রয়েছে পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, জিঙ্ক,ক্লোরিন, আয়রন ও সোডিয়াম সহ নানা উপকারি উপাদান। এতে কোন কোলেস্টেরল নেই। প্রতি একশ গ্রাম বিটে ৪৩ ক্যালোরি শক্তি পাওয়া যায়। নিম্নে এর পুষ্টি গুনাগুণ দেওয়া হলো-
প্রতি ১০০ গ্রাম বিটে রয়েছে
পলিসেচুরেটেড ফ্যাট –                 ০.২ গ্রাম
সোডিয়াম                                  ৭৮ মিলিগ্রাম
পটাসিয়াম                                 ৩২৫ মিলিগ্রাম
কার্বোহাইড্রেট                            ১০ গ্রাম (আঁশ ২.৮ গ্রাম ও চিনি ৭ গ্রাম) 
প্রোটিন                                      ১.৬ গ্রাম
ভিটামিন সি                               ৮%
ভিটামিন বি ৬                            ৫%
আয়রন                                      ৪%
ম্যাগনেসিয়াম                            ৫%

বিটের বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা
বিটে ডায়াবেটিস হতে আরম্ভ করে অ্যানিমিয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও থাইরয়েডের মত সমস্যার ক্ষেত্রে অনেক উপকারি। তাই শরীরকে সুস্থ রাখার জন্য বিভিন্ন উপাদান সমৃদ্ধ শীতের সবজি বিট খাদ্যতালিকায় রাখাই যায়। নিম্নে এর বিভিন্ন স্বাস্থ্য উপকারিতা বর্ণনা করা হলো।

অ্যানিমিয়া প্রতিরোধ
রক্তাল্পতাজনিত সমস্যা যাদের রয়েছে তারা বিট খেলে অনেক উপকার পেতে পারেন কারন এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে আয়রন। নিয়মিত বিট খেলে তা শরীরে প্রয়োজনীয় রক্তের যোগান দিয়ে রক্তাল্পতার সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে। এছাড়া মহিলাদের মধ্যে যাদের অনিয়মিত তাদের এই পিরিয়ডের সমস্যা উত্তরনে কিংবা যাদের খুব কম পিরিয়ড হয় তারাও এটি থেকে উপকার পেতে পারেন। এছাড়া বিট শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতেও কার্যকরী।

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ
উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নেই এমন পরিবার খুঁজে পাওয়া মুশকিল।কিন্তু শীতের মৌসুমে হাতের কাছে থাকা সহজলভ্য বিট উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে দারুন উপকার বয়ে আনতে পারে। গবেষণা করে দেখা গেছে যারা বেশি করে বিট খায় বা বিটের রস পান করে তাদের উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা কম। নাইট্রেট নামক উপাদান থাকা এটি ওষুধের থেকেও ভালো কাজ করে। এটি শরীরের রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রেখে আমাদের স্ট্রোকের হাত থেকে বাঁচাতে সহায়তা করতে পারে।

লিভারের ফাংশনকে ভালো রাখা
নিয়মিত ফাস্ট ফুড খাওয়ায় অভস্ত্য আমাদের লিভারের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে যাচ্ছে।বিট আমাদের হজম প্রক্রিয়াকে উন্নত করতে সাহায্য করে। এছাড়া এটি বদহজম ও অন্যান্য পেটের অন্যান্য রোগ যেমন জন্ডিস, ডায়রিয়া, প্রভৃতি রোগের ক্ষেত্রেও অনেক উপকারি। ফ্যাটি লিভারের সমস্যা নিয়ন্ত্রণেও কাজ করে লিভারের ফাংশনকে ভালো রাখে। 

দেহের শক্তি বৃদ্ধি 
দেহকে সুন্দর ও ফিট রাখতে রোজ জিমের পাশাপাশি বিট খেলে তা পেশীর শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। এছাড়া বিটের রস খুব তাড়াতাড়ি এনার্জির যোগান দেয় বলে জিমের পর খুব ক্লান্ত লাগলে খেয়ে নিতে পারেন একগ্লাস বিটের রস খেলে আপনি মুহূর্তেই হারানো এনার্জি ফিরে পেতে পারেন।

হাড় মজবুত রাখা 
বিট হাড়ের জন্যও অনেক উপকারী কারণ এটি হাড়কে মজবুত রাখতে সহায়তা করে। তাই প্রতিদিন বেশি করে খান বিট খাওয়া উচিত। এর শরীরে ক্যালসিয়াম ধরে রাখতে সাহায্য করে বলে হাড়ের যেকোনো সমস্যা রোধে এটি অনেক উপকারি। তাই যারা নিয়মিত  বিট  খায় তারা বৃদ্ধ হলে তাদের হাড়ের সমস্যায় ভুগতে হয়না।

ডিপ্রেশন দূর করতে
ডিপ্রেশন দূর করতে বিটের বিটের মত উপকারি উপাদান নেই বললেই চলে। এতে থাকা বিটেইন ও ট্রিপটোফোন নামক উপাদান মন ভালো রাখতে সাহায্য করে। তাই মন ভালো না থাকলে খেতে পারেন বিটের সরবত।

ত্বক ভালো রাখতে  
বিটের রয়েছে অ্যান্টি-এজিং গুনাগুণ তাই এটি ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখতে বেশ সহায়ক। এছাড়া বিট ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়াতে ও অন্যান্য সমস্যা যেমন ব্রন, বলিরেখা দূর কাজ করে। উজ্জ্বল ত্বক লাভ করতে তাই প্রতিদিন একগ্লাস বিটের সরবত খেতে পারেন।

ক্যান্সার  প্রতিরোধ  
বিটে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে যা ক্যান্সার প্রতিরোধে খুবই কার্যকরী।এছাড়া এতে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীর থেকে ক্ষতিকারক টক্সিন বের করে আনতে ও দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে।

শুধু বর্তমানে নয় প্রাচীন সময় থেকেই বিটের অনেক কদর রয়েছে। এতক্ষণ আমরা জেনে নিলাম বিটের নানা স্বাস্থ্য উপকারিতার কথা এখন মানার পালা। যাঁরা এই শীতের মৌসুমেও সতেজ ত্বক চান তাঁদের জন্য সেরা শীতের সবজি এই বিট। তাই নিজেকে সুন্দর ও হেলদি রাখতে তথা শরীর ফিট বা ঠিক রাখতে চাইলে আজ থেকেই খাদ্যতালিকায় অবশ্যই বিট যোগ করুন ।



টাইফয়েড জ্বরের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার

শনিবার, মার্চ ২৮, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে
টাইফয়েড জ্বর বাংলাদেশে খুবই সচরাচর একটি রোগ। টাইফয়েড জ্বর স্যালমোনেলা টাইফি নামক ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমণে হয়ে থাকে। দূষিত খাবার ও পানির মাধ্যমে প্রধানত দেহে এই জীবাণু ছড়ায়। ঘনবসতিপূর্ণ এলাকার লোকজনের টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত ব্যক্তির রক্তস্রোতে ও অন্ত্রনালীতে এই ব্যাটটেরিয়া অবস্থান করে এবং দুষিত খাবার ও পানি গ্রহণের মাধ্যমে এই ব্যাকটেরিযা দেহে প্রবেশ করা জীবাণুগুলো গুণিতক আকারে বেড়ে গিয়ে রক্তস্রোতে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে জ্বরসহ নানা ধরনের উপসর্গ দেখা দেয়। আজ আমরা জানব টাইফয়েড জ্বরের কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিকার সম্পর্কে।
টাইফয়েড জ্বরের কারণ ও ছড়ানোর মাধ্যম:
টাইফয়েড একটি পানিবাহিত মারাত্মক রোগ যা দুই ধরনের জীবাণুর সংক্রমণে এই রোগ হয়ে থাকে। (১)‘সালমোনেলা টাইফি’ এবং (২) ‘সালমোনেলা প্যারাটাইফি’। সালমোনেলা টাইফির সংক্রমণে যে জ্বর হয় তাকে টাইফয়েড জ্বর বা ‘এন্টারিক ফিভার’ বলে।  আর যদি জ্বর সালমোনেলা প্যারাটাইফির নামক জীবাণুর কারণে হয় তখন তাকে প্যারা টাইফয়েড জ্বর বলে। প্রধানত দূষিত পানি ও খাবার গ্রহণের মাধ্যমেই এই জীবাণু শরীরে প্রবেশ করে। পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার প্রতি উদাসীনতার কারণেও এটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে। এছাড়াও টাইফয়েড জ্বর হতে আরোগ্য লাভ করেছেন কিন্তু এই ব্যাকটেরিয়া বহন করছেন এমন কিছু সংখ্যক ব্যক্তিও এই রোগের বাহক হতে পারে। যেভাবেই এই জীবাণু শরীরে শরীরে প্রবেশ করুক না ঢুকার পর তা বৃহদান্ত্রকে আক্রমণ করে।  এছাড়া এই ব্যাকটেরিয়া শরীরের পিত্তথলিতে জমা থাকে এবং উপযুক্ত পরিবেশ পেলেই কেবল আক্রমণ করে।
টাইফয়েডের ঝুঁকি কাদের বেশি?
যেকোন বয়সেই টাইফয়েড হতে পারে, তবে শিশুদের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। শরীরে জীবাণু প্রবেশ করলেই টাইফয়েড হবে এমন কোন কথা নাই কারণ দেহে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ভালো থাকলে অনেক সময়ই জীবাণু দেহে সংক্রমণ করতে পারেনা। তবে কম রোগপ্রতিরোধক্ষমতা সম্পন্ন ব্যক্তি যেমন এইচআইভি পজিটিভ ও এইডস রোগীরা সহজেই টাইফয়েডে আক্রান্ত হতে পারে। যেসব এলাকায় এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি সেসব জায়গায় ভ্রমণ করলেও এ রোগের জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।
টাইফয়েড জ্বরের লক্ষণসমূহঃ
সাধারণত রোগ-জীবাণু শরীরে প্রবেশের ১০ থেকে ১৪ দিন পর রোগের লক্ষণ সমূহ প্রকাশ পেতে থাকে। জ্বর এ রোগের প্রধান লক্ষণ যা প্রথম চার-পাঁচ দিন জ্বর বৃদ্ধি পায় জ্বর কখনো বাড়ে, কখনো কমে; তবে কোনো সময় সম্পূর্ণ ছেড়ে যায় না। এর প্রধান প্রধান লক্ষণসমূহ নিম্নরুপঃ
  • ১০৪ ডিগ্রি ফারেনহাইট পর্যন্ত টানা জ্বর হওয়া।
  • জ্বরের সঙ্গে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা ও শারীরিক দুর্বলতা দেখা দিতে পারে।
  • ক্ষুধামন্দা হওয়া সহ কারো কারো কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে।
  • শিশুদের ক্ষেত্রে ডায়রিয়া ও বমি হতে পারে।
  • গা ম্যাজ ম্যাজ করা সহ রোগীর কফ বা কাশি হতে পারে ।
  • প্রচণ্ড পেটে ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
  • দ্বিতীয় সপ্তাহে রোগীর পেটে ও পিঠে গোলাপি রঙের দানা দেখা দিতে পারে।
  • কারো কারো জ্বরের সঙ্গে কাশি হয়।
  • হার্ট রেট বা হৃদস্পন্দন কমে যেতে পারে।
  • ওষুধ চলা অবস্থায়ও সপ্তাহ খানেক জ্বর থাকতে পারে।
কিভাবে টাইফয়েড জ্বর সনাক্তকরণ করা হয়?
পরীক্ষা নিরীক্ষার পর কেবল চিকিৎসকগণ বলতে পারবেন যে কারও টাইফয়েড জ্বর হয়েছে কিনা। টাইফয়েড দ্রুত সনাক্ত করার জন্য ব্লাড কালচার নামক রক্ত পরীক্ষা করতে হয়। যদি নমুনায় স্যালমোনেলা নামক ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি পাওয়া যায় তাহলে প্রকার ভেদে টাইফয়েড ও প্যারা- টাইফয়েড পার্থক্য করা হয়। এছাড়া জ্বর হওয়ার ২য় সপ্তাহে “উইডাল টেস্ট” নামে এক ধরনের ননস্পেসিফিক ব্লাড টেস্ট করতে হয় যাতে টাইটার দেখে টাইফয়েড নির্ধারণ করা হয়। 
টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা পদ্ধতিঃ
প্রধানত এন্টিবায়োটিকের মাধ্যমে ডাক্তারগণ টাইফয়েড জ্বরের চিকিৎসা করে থাকেন। নির্দিষ্ট এন্টিবায়োটিক শুরুর পরও জ্বর কমতে পাঁচদিনও লেগে যেতে পারে। টাইফয়েড জ্বরে আক্রান্ত হওয়ার পরও দ্রুত চিকিৎসা না করলে জ্বর সপ্তাহ বা মাসব্যাপী থাকতে পারে। এছাড়া রোগী অন্যান্য জটিলতায় ভুগতে পারে। চিকিৎসার পাশাপাশি রোগীকে অধিক পরিমাণে তরল খাবার দেওয়া দরকার কারণ দীর্ঘস্থায়ী জ্বর এবং ডায়রিয়ার কারণে তাঁর শরীরে পানি স্বল্পতা দেখা দিতে পারে। তীব্র আকারে পানি শূন্যতা দেখা দিলে শিরাপথে ওষুধ প্রদানের মাধ্যমেও তরলজাতীয় খাবার প্রদান করা যেতে পারে। টাইফয়েডের রোগীকে পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে। জ্বর বেশি থাকলে পুরো শরীর ভেজা গামছা বা তোয়ালে দিয়ে মুছে দিতে হবে। অসুস্থতাকালীন সময়ে হারানো পুষ্টি পুনরুদ্ধারে উচ্চ ক্যালরি সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করা উচিত। প্রতিবার বাথরুম ব্যবহারের পর হাত পানি ও সাবান দিয়ে ভাল করে ধুয়ে ফেলতে হবে। সবচেয়ে গুরুত্বপুর্ণ বিষয় হলো যতদিন পর্যন্ত চিকিৎসক এন্টিবায়োটিক গ্রহণের পরামর্শ দিবেন ততদিন পর্যন্ত তা গ্রহণ করতে হবে।
টাইফয়েড জ্বর প্রতিরোধে করণীয়ঃ  
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী টাইফয়েড জ্বরের জন্য নির্ধারিত ভ্যাক্সিন (টিকা) গ্রহণ করা রোগটি থেকে বেঁচে থাকার একটি উপায়। ইনজেকশন এবং মুখে খাওয়ার উভয় ধরনের ভ্যাক্সিন বাজারে পাওয়া যায়। ভ্যাক্সিন গ্রহণ করার ব্যাপারে চিকিৎসককের পরামর্শ নেওয়া দরকার। সব সময়  ভ্যাক্সিন ১০০% কার্যকর  হয়না তাই ভ্যাক্সিনের পাশাপাশি নিম্নলিখিত পদক্ষেপসমূহ গ্রহণ করা দরকার।
  • শাকসবজি, ফলমূল এবং রান্নার বাসনপত্র সবসময় পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিতে হবে।
  • খাবার ভালভাবে রান্না বা সিদ্ধ করে তারপর খাওয়া উচিত।
  • খাবার গ্রহণ, প্রস্তত বা পরিবেশনের পূর্বে খুব ভালভাবে হাত ধৌত করতে হবে।
  • পর্যাপ্ত পরিমাণে ফুটানো পানি বা পরিশোধিত পানি সংরক্ষণ করতে হবে এবং পানি যাতে দূষিত হতে না পারে সে জন্য ২৪ ঘণ্টার মধ্যে সংরক্ষণকৃত সেই পানি পান করা উচিত।
  • বোতলজাত, পরিশোধিত বা ফুটানো পানি হতে বরফ তৈরি করা না হলে সেই বরফ মিশিয়ে পানি বা অন্য কোন পানীয় পান করা হতে বিরত থাকতে হবে।
  • রাস্তার পার্শ্বস্থ দোকানের খাবার গ্রহণ এবং পানি পান করা থেকে বিরত থাকা উচিত।
  • টয়লেট সব সময় পরিষ্কার রাখতে হবে।
  • টয়লেট ব্যবহারের পর, শিশুকে পরিষ্কার করার পূর্বে, খাবার প্রস্তুত বা পরিবেশন করার পূর্বে, নিজে খাওয়ার পূর্বে বা শিশুকে খাওয়ানোর পূর্বে সাবান দিয়ে ভালভাবে হাত পরিষ্কার করতে হবে।

পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতাই টাইফয়েড থেকে বাঁচার মূলমন্ত্র। যারা নিয়মিত ভ্রমণ করেন তাদের প্রায়ই বিভিন্ন জায়গায় খেতে হয়। এসব এলাকায় বিশুদ্ধ পানি পান এবং স্বাস্থ্যসম্মত খাবার সবসময় নিশ্চিত করা সম্ভব হয় না ফলে টাইফয়েডে আক্রান্ত হবার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই টাইফয়েড প্রবণ এলাকা পরিদর্শন করলে বাইরের খাবার খাওয়া এবং পানি পান করার ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। 





বৃহস্পতিবার, ২৬ মার্চ, ২০২০

Iqra Bangla TV লাইভ

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

আইকিউআরএ টিভি (স্কাই চ্যানেল 2৪২) ইমাম কাসিম রশিদ আহমদ ২০০৯ সালে যুক্তরাজ্যের মুসলমানদের জন্য প্রয়োজনীয় সম্প্রচার পরিষেবা প্রদানের একমাত্র উদ্দেশ্যে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন।

এর পরের বছরগুলিতে, আইকিআরএ টিভি দ্রুত ইউরোপের অন্যতম জনপ্রিয় মুসলিম চ্যানেল হয়ে উঠেছে, এবং যুক্তরাজ্যের সমৃদ্ধ মুসলিম সম্প্রদায়ের পছন্দের চ্যানেলটির প্রোগ্রামিংয়ের অনন্য মিশ্রণের সাথে ধর্মীয় এবং শিক্ষাগত বিষয়বস্তু অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

তবে আমাদের ক্রসটি আমাদের ক্রস-প্ল্যাটফর্ম ওয়েব স্ট্রিমিংয়ের সাথে যুক্তরাজ্যের অনেক বেশি প্রসারিত - বিশ্বব্যাপী বিশ্বস্ত দর্শকদের, যেখানেই ইন্টারনেট পৌঁছে দেয়, তাদের পছন্দমতো অনুষ্ঠানগুলি যেতে যেতে সক্ষম করে। এই সহজ অ্যাক্সেস স্ট্রিমিং আইকিউআরএ টিভির প্রোগ্রামিংয়ের উদ্ভাবনী দৃষ্টিভঙ্গির মধ্যে একটি প্রাথমিক অফার ছিল - স্ট্রিমিংয়ের পরে এখন থেকে সর্বব্যাপী শিল্প-প্রশস্ত হয়ে উঠেছে।

আইকিআরএ টিভির প্রোগ্রাম বেসটি আধুনিক বিশ্বের ধর্মগুলিতে ভারসাম্য বজায় রাখার চেষ্টা করছে এমন মুসলমানদের সমসাময়িক বিষয়গুলিকে সম্বোধন করে - যা আমাদের ব্রিটিশ মুসলমানদের মধ্যে একটি বৈচিত্র্যময় এবং অনুগত অনুসারী তৈরি করতে দেয়। অনন্য শ্রোতা-চালিত এবং অংশগ্রহণমূলক প্রোগ্রাম দর্শকদের তারা কীভাবে ইসলামিক টেলিভিশন দেখায় সে সম্পর্কে একটি নতুন, আকর্ষক, দৃষ্টিভঙ্গি দেয়।

চ্যানেল আল খায়ের ফাউন্ডেশনের কাজগুলিও প্রদর্শন করে, কারণ এটি বিশ্বের সবচেয়ে দরিদ্রদের জন্য জরুরি ও উন্নয়নমূলক সহায়তা সরবরাহ করে। সরাসরি আপিল এবং একচেটিয়া অন-দ্য ডকুমেন্টারিগুলি বিশ্বের সবচেয়ে সুবিধাবঞ্চিত-দুর্দশা এবং দুর্যোগ-আক্রান্ত অঞ্চলগুলির কেন্দ্রস্থল থেকে সরাসরি দুর্দশার চিত্র তুলে ধরে। এটি আমাদের দর্শকদের অবহিত করে এবং আত্মবিশ্বাসের সাথে আমাদের দাতব্য ড্রাইভগুলিকে সমর্থন করতে সক্ষম করে।

আইকিআরএতে আমরা আমাদের দর্শকদের খুব সেরা টিভি অভিজ্ঞতা সরবরাহে বিশ্বাস করি। এর অর্থ সকল বয়সের দর্শকদের জন্য সেরা অফার: শিশুদের শিক্ষাগত সামগ্রী থেকে শুরু করে এমন প্রোগ্রামগুলিতে যা বিশ্ব মুসলিম সম্প্রদায়ের সমসাময়িক সমস্যাগুলিকে সম্বোধন করে।

যুক্তরাজ্যের আইকিউআরএ টিভিতে পৌঁছনো কার্যত সমস্ত পরিবারে প্রসারিত, সুতরাং আইকিআরএ টিভিটি ইউকে-র ৩.৪ মিলিয়ন মুসলমানদের জন্য অন্যতম জনপ্রিয় টিভি চ্যানেল হিসাবে পরিণত হয়েছে।



Channel Stv লাইভ

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে
ইউরোপে উপলব্ধ চ্যানেল এস টেলিভিশন ইউকে ভিত্তিক বাংলা ভাষার টেলিভিশন চ্যানেল, বিশ্বজুড়ে তাদের কন্ঠস্বর তুলতে পারে এমন এক শক্তিশালী বৈদ্যুতিন মিডিয়ায় বাংলাদেশের শ্রোতা। এই যাত্রাটি ২০০৪ সালের জুলাইয়ে শুরু হয়েছিল, যখন অনন্য আবিষ্কারের একদল প্রতিভা শিল্প প্রযুক্তির সর্বশেষ রাষ্ট্রটি ব্যবহার করে টেলিভিশন চ্যানেলটি মূলধারার মানটিতে সম্প্রচারের চ্যালেঞ্জ নিয়েছিল। চ্যানেল এর টিভি 2006 সালে বাংলাদেশের বাইরে সবচেয়ে জনপ্রিয় বাংলা চ্যানেল হিসাবে ভোট পেয়েছে।



Madani TV Bangla

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

দাওয়াত-ই-ইসলামী, বিশ্বব্যাপী কুরআন ও সুন্নাহর প্রচারের জন্য কাজ করা একটি বৈশ্বিক অরাজনৈতিক ইসলামী সংস্থা। এটি ১৯৮১ সালে পাকিস্তানের করাচিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল বর্তমান যুগের অন্যতম মহান আলেম শায়খ-ই-তারিকাত, আমির-এ-আহলে সুন্নাত, দাওয়াত-ই-ইসলামীর প্রতিষ্ঠাতা হযরত আল্লামা মাওলানা আবু বিলাল মুহাম্মদ ইলিয়াস আতর কাদরী রাজাভি জিয়ায়ে دامت برکاتھم العالیہ। তিনি এই ইসলামী বিপ্লবটি সমাজে ক্রমবর্ধমান নোংরামি পরিষ্কার করার জন্য, মানুষকে সর্বশক্তিমানের পথে টেনে আনতে এবং তাঁর কয়েকজন সাহাবীর সাথে ইসলামের সত্য শিক্ষা প্রদান করার জন্য এবং এখন আল্লাহর রহমতে প্রিয়তমা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অনুগ্রহে দোয়া করেছিলেন। তাঁর এবং অমিয়ার আহলে সুন্নাত দাওয়াত-ই-ইসলামীর নিরলস প্রচেষ্টা এবং দৃ determination় সংকল্প বিশ্বের ১৯৪ টিরও বেশি দেশে ইসলামের প্রচারের জন্য একদিন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যে একমাত্র লক্ষ্য রেখেই যে "আমাকে অবশ্যই নিজেকে সংস্কার করার জন্য সংগ্রাম করতে হবে এবং পুরো বিশ্বের মানুষ। "



Pace TV LIVE

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে



ইসলামিক রিসার্চ ফাউন্ডেশন ইন্টারন্যাশনাল (আইআরএফআই) ইংল্যান্ড অ্যান্ড ওয়েলসে নিবন্ধিত একটি সীমাবদ্ধ সংস্থা (সংস্থা নং: 06065201) এবং চ্যারিটি কমিশনে নিবন্ধিত একটি স্বাধীন দাতব্য সংস্থা (দাতব্য নিবন্ধন নম্বর 1122086)। আইআরএফআই সম্পর্কে আরও তথ্য এখানে পাওয়া যাবে।

আইআরএফআইয়ের নিবন্ধিত অফিসের ঠিকানা 47 ক্যালথর্প রোড, এজবাস্টন, বার্মিংহাম, ইংল্যান্ড বি 15 1TH। আইআরএফআই অনুদান প্রদানের মাধ্যমে পিস টিভি চ্যানেলগুলির পরিচালনার জন্য অর্থায়ন করে এবং আইআরএফআই পিস টিভি চ্যানেলগুলির একমাত্র অনুদানকারী।

আইআরএফআই-তে অনুদান দেওয়ার জন্য, দয়া করে নীচের অনুদানের ফর্মটি পূরণ করুন।
১. পিস টিভি 'ফ্রি টু এয়ার' ইংরেজি ও উর্দুতে অত্যাধুনিক টেলিভিশন প্রোগ্রামগুলি সম্প্রচার করে।
২. সেরা উপলব্ধ মিডিয়া প্রযুক্তি, সৃজনশীলতা, গবেষণা, প্রোগ্রাম সফটওয়্যার এবং অপারেশনাল পরিচালনা দ্বারা ব্যাক আপ।
৩. সমগ্র মানবজাতির জন্য সত্য, ন্যায়বিচার, নৈতিকতা, সম্প্রীতি, প্রজ্ঞা এবং PEACE প্রচার করার জন্য অনুসন্ধান।
৪. পিস টিভি এশিয়া, মধ্য প্রাচ্য, ইউরোপ, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং আমেরিকার অনেক অংশ সহ বিশ্বব্যাপী 125 টিরও বেশি দেশে প্রাপ্ত এবং উপভোগ করা যায়।
৫) সম্প্রচারিত কর্মসূচিতে আন্তর্জাতিক খ্যাতিমান পন্ডিত এবং ধর্ম ও মানবতা সম্পর্কিত বক্তা উপস্থিত থাকবে;

ডাঃ জাকির নায়েক (ভারত)

আহমেদ দিদাত (দক্ষিণ আফ্রিকা)
ডাঃ বিলাল ফিলিপস (কানাডা)
ইয়াসির ফাজাগা (ইউএসএ)
আবদুর রহিম গ্রিন (ইউকে)
হুসেন ইয়ে (মালয়েশিয়া)
ডাঃ জাফর ইদ্রিস (সুদান)
সালেম আল আম্রি (সংযুক্ত আরব আমিরাত)
ডাঃ ইসরার আহমেদ (পাকিস্তান)
মাওলানা পেরেক (ভারত)
এবং আরও অনেক কিছু



AL Dawah TV ইসলামিক টিভি

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে


এএইএইএইচ মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন লিমিটেডের মালিকানাধীন দেশটির সর্বশেষ প্রাইভেট ইসলামিক ইন্টারনেট টেলিভিশন চ্যানেল আ.ল. দাওয়াহ.টিভি। আ.ল. দাওয়াহ.টিভি সত্য, সৌন্দর্য এবং স্বাস্থ্যের উপস্থাপনাগুলির দিকে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে মানবতার বার্তা প্রচারের জন্য মানব সমাজের শান্তি ও কল্যাণের শুদ্ধ বিনোদন-যুগের প্রতিশ্রুতি। চিরন্তন সত্যের উপস্থাপনের লক্ষ্য, সৌন্দর্য এএইএইএইটি মাল্টিমিডিয়া প্রোডাকশন লিমিটেড সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের একটি স্বাস্থ্যকর প্রবণতা। পবিত্র কুরআনের আলোকে জ্বলজ্বল করে আমাদের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিশুদ্ধ সংস্কৃতিতে আল্লাহর বাণী জ্বলছে। সর্বশক্তিমান আল্লাহ আমাদের সকল ভাল কাজ গ্রহণ করেন। আমিন!


আল-কোরআন লাইভ

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

আল কুরআন, মুসলমানদের পবিত্র গ্রন্থ যা কেবলমাত্র মুসলমানদেরই নির্দেশনা দেয় না তবে এতে সমগ্র মানবতার জন্য দিকনির্দেশনা রয়েছে। আপনি যদি মানুষ হন তবে আপনি এই পবিত্র বইটিতে আপনার জীবনের প্রতিটি নিরাময় এবং সুখ পাবেন। আল কুরআন এমপি 3 হ'ল এক ধরণের রেডিও যা অনলাইন এবং এটি বিশ্বের সমস্ত মুসলিম এবং অমুসলিমদের কাছে পবিত্র কুরআনের সুন্দর তিলাওয়াত প্রচার করে। কুরআন অধ্যায়গুলিতে বিভক্ত (আরবীতে সুরা), যা পরে আয়াতগুলিতে বিভক্ত হয় (আয়াত

আল-কোরআন লাইভ




Azan.tv ইসলামিক টিভি

বৃহস্পতিবার, মার্চ ২৬, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

আজান টিভি কানাডার প্রথম 24 ঘন্টা বাংলা ইসলামিক টেলিভিশন চ্যানেল। তাদের উদ্দেশ্য ইসলামের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি প্রচার করা। আজান টিভি সারা বিশ্ব জুড়ে বাঙালি মুসলিম সম্প্রদায়ের তেলাওয়াত-কুরআন, হামদ-ও-নাটস, বিদ্বানদের বক্তৃতা, পাবলিক বক্তৃতা, ডকুমেন্টারি, শিশু প্রোগ্রাম, মহিলা প্রোগ্রাম, যুব আলোচনা, শিক্ষামূলক এবং বর্তমান বিষয়গুলি সরবরাহ করে। এটি আইপি বক্সের পাশাপাশি অনলাইনেও দেখা যায়। এটা তোলে Android এবং iOS অ্যাপ্লিকেশান দ্বারা দেখা যাবে।




ফটো গ্যালারী

1/6
ওহুদ যুদ্ধ - হযরত মহাম্মদ (সা:) এর বিপ্লবী জীবন
2/6
মুসলিম নারীর বিধান
3/6
ইসলামি অর্থনীতিতে উপার্জন ও ব্যয়ের নীতিমালা
4 / 6
ইসলামীক জিজ্ঞাসাঃ লাঠি হাতে নিয়ে জুমার খুতবা দেয়া কি সুন্নত?
5/6
মসজিদে নববী যিয়ারতের কিছু আদব-কায়দা
6/6
উম্মাতে মুসলিমার দায়িত্ব

Islam-icon Profile.png