- প্রসঙ্গ কথা
- কুরআন ও কুরআনের মর্যাদা অনুধাবনের উপায়
- কুরআনের মূল আলোচ্য
- কুরআন অধ্যয়নের পদ্ধতি
- কুরআনের প্রানসত্তা অনুধাবন
- কুরআনী দাওয়াতের বিশ্বজনীনতা
- পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান
- কুরআন শিক্ষাদানকারীর মর্যাদা
- কুরআনের শিক্ষাদান দুনিয়ার সর্বোত্তম ধন-সম্পদের চেয়েও উত্তম
- কুরআন সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ
- কুরআন না বুঝে পাঠ করলেও কল্যাণের অধিকারী হওয়া যায়
- যার সাথে ঈর্ষা করা যায়
- কুরআন মাজীদের সাথে মুমিনের সম্পর্ক
- কুরআন হচ্ছে দুনিয়া ও আখিরাতের উন্নতি লাভের মাধ্যম
- কুরআন তেলাওয়াতের শব্দ শুনে ফেরেশতারা সমবেত হয়
- কুরআন পাঠকারীদের উপর প্রশান্তি নাযিল হয়
- সূরা ফাতিহার ফযিলত
- ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ
- কুরআনের সবচেয়ে বড় সূরা ফাতিহা
- কুরআনের সাহায্যে বাড়ি ঘর সজীব রাখো
- কুরআন মাজীদ কিয়ামতের দিন শাফায়াৎকারী হবে
- সূরা বাকারা ও আলে ইমরান
- কুরআনের সবচেয়ে বড় আয়াত আয়াতুল কুরসী
- আয়াতুল কুরসীর ফযিলত সম্পর্কে একটি বিস্ময়কর ঘটনা
- দুটি নূর
- সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের ফযিলত
- সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াতের ফযিলত
- সূরা মুমিনুনের ফযিলত
- সূরা ইয়াসিনের ফযিলত
- সূরা মুলকের ফযিলত
- সূরা ইখলাছ কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান
- সূরা ইখলাছ আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম
- সূরা ইখলাছের প্রতি আকর্ষণ বেহেশতে প্রবেশের কারন
- সূরা ফালাক ও সূরা নাস- দুটি অতুলনীয় সূরা
- কুরআনের শব্দগুলোর মধ্যেও বরকত রয়েছে
- কুরআন, আমানাত ও আত্মীয়তার সম্পর্ক
- কুরআনের অধিকারী ব্যক্তির মর্যাদা
- যার স্মৃতিপটে কুরআন নেই সে বিরান ঘর সমতুল্য
- কুরআনের প্রতিটি অক্ষরের বিনিময়ে দশ নেকী
- কুরআন প্রতিটি যুগের ফিতনা থেকে রক্ষাকারী
- কুরআন চর্চাকারীর পিতামাতাকে
- কুরআনের হেফাজত না করা হলে তা দ্রুত ভুলে যাবে
- কুরআন মুখস্থ করে তা ভুলে যাওয়া জঘন্য অপরাধ
- কুরআন মুখস্থকারীর দৃষ্টান্ত
- মনোনিবেশ সহকারে ও একাগ্র চিত্তে কুরআন পাঠ করো
- রাসুলুল্লাহর কিরাত পাঠের পদ্ধতি
- মহান নবীর সুললিত কণ্ঠে কুরআন পাঠ
- যে ব্যক্তি কুরআনকে নিয়ে স্বয়ং
- রাসুলুল্লাহ সাঃ, কুরআন এবং সত্যের সাক্ষ্যদান
- কুরআনী ইলমের বরকতে উবাই ইবনে কা’বের মর্যাদা
- কুরআনকে শত্রুর এলাকায় নিয়ে যেও না
- আসহাবে সুফফার ফযিলত
- সুমধুর স্বরে কুরআন পাঠ করো
- কুরআন পড়া শিখে তা ভুলে যাওয়া বড়ই দুর্ভাগ্যের ব্যাপার
- তিনদিনের কম সময়ে কুরআন খতম করোনা
- প্রকাশ্যে অথবা নিরবে কুরআন পড়ার দৃষ্টান্ত
- কুরআনের উপর কার ঈমান গ্রহণযোগ্য
- নবী ( সাঃ ) এর কিরআত পাঠের ধরন
- কতিপয় লোক কুরআনকে দুনিয়া লাভের উপায় বানিয়ে নেবে
- গান ও বিলাপের সুরে কুরআন পাঠ করোনা
- সুমধুর সুরে কুরআন পাঠ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
- সুকণ্ঠে কুরআন পড়ার অর্থ কি
- কুরআনকে পরকালীন মুক্তির উপায় বানাও
- প্রাথমিক পর্যায়ে আঞ্চলিক উচ্চারনে কুরআন পাঠের অনুমতি ছিল
- দীনী ব্যাপারে মতবিরোধের সীমা এবং সৌজন্যবোধ
- অবিচল ঈমানের অধিকারী সাহাবী
- পঠন ভঙ্গির পার্থক্যের কারনে অর্থের কোন পার্থক্য হয় না
- আঞ্চলিক ভাষায় কুরআন পড়ার অনুমতি
- কুরআন পড়ে শুনানোর পারিশ্রমিক নেয়া অবৈধ
- কুরআনকে জীবিকা অর্জনের উপায়ে পরিনতকারী অপমানিত
- বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম দুই সুরাকে পৃথককারী
- সাহাবাগন কতটা দায়িত্ব নিয়ে কুরআন মুখস্ত করেছেন
- কুরআন মাজীদ কিভাবে একত্রে জমা করা হয়েছিলো
- প্রসঙ্গ কথা
- কুরআন ও কুরআনের মর্যাদা অনুধাবনের উপায়
- কুরআনের মূল আলোচ্য
- কুরআন অধ্যয়নের পদ্ধতি
- কুরআনের প্রানসত্তা অনুধাবন
- কুরআনী দাওয়াতের বিশ্বজনীনতা
- পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান
- কুরআন শিক্ষাদানকারীর মর্যাদা
- কুরআনের শিক্ষাদান দুনিয়ার সর্বোত্তম ধন-সম্পদের চেয়েও উত্তম
- কুরআন সর্বশ্রেষ্ঠ সম্পদ
- কুরআন না বুঝে পাঠ করলেও কল্যাণের অধিকারী হওয়া যায়
- যার সাথে ঈর্ষা করা যায়
- কুরআন মাজীদের সাথে মুমিনের সম্পর্ক
- কুরআন হচ্ছে দুনিয়া ও আখিরাতের উন্নতি লাভের মাধ্যম
- কুরআন তেলাওয়াতের শব্দ শুনে ফেরেশতারা সমবেত হয়
- কুরআন পাঠকারীদের উপর প্রশান্তি নাযিল হয়
- সূরা ফাতিহার ফযিলত
- ইমামের পিছনে সূরা ফাতিহা পাঠ
- কুরআনের সবচেয়ে বড় সূরা ফাতিহা
- কুরআনের সাহায্যে বাড়ি ঘর সজীব রাখো
- কুরআন মাজীদ কিয়ামতের দিন শাফায়াৎকারী হবে
- সূরা বাকারা ও আলে ইমরান
- কুরআনের সবচেয়ে বড় আয়াত আয়াতুল কুরসী
- আয়াতুল কুরসীর ফযিলত সম্পর্কে একটি বিস্ময়কর ঘটনা
- দুটি নূর
- সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াতের ফযিলত
- সূরা কাহাফের প্রথম দশ আয়াতের ফযিলত
- সূরা মুমিনুনের ফযিলত
- সূরা ইয়াসিনের ফযিলত
- সূরা মুলকের ফযিলত
- সূরা ইখলাছ কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান
- সূরা ইখলাছ আল্লাহর নৈকট্য লাভের মাধ্যম
- সূরা ইখলাছের প্রতি আকর্ষণ বেহেশতে প্রবেশের কারন
- সূরা ফালাক ও সূরা নাস- দুটি অতুলনীয় সূরা
- কুরআনের শব্দগুলোর মধ্যেও বরকত রয়েছে
- কুরআন, আমানাত ও আত্মীয়তার সম্পর্ক
- কুরআনের অধিকারী ব্যক্তির মর্যাদা
- যার স্মৃতিপটে কুরআন নেই সে বিরান ঘর সমতুল্য
- কুরআনের প্রতিটি অক্ষরের বিনিময়ে দশ নেকী
- কুরআন প্রতিটি যুগের ফিতনা থেকে রক্ষাকারী
- কুরআন চর্চাকারীর পিতামাতাকে
- কুরআনের হেফাজত না করা হলে তা দ্রুত ভুলে যাবে
- কুরআন মুখস্থ করে তা ভুলে যাওয়া জঘন্য অপরাধ
- কুরআন মুখস্থকারীর দৃষ্টান্ত
- মনোনিবেশ সহকারে ও একাগ্র চিত্তে কুরআন পাঠ করো
- রাসুলুল্লাহর কিরাত পাঠের পদ্ধতি
- মহান নবীর সুললিত কণ্ঠে কুরআন পাঠ
- যে ব্যক্তি কুরআনকে নিয়ে স্বয়ং
- রাসুলুল্লাহ সাঃ, কুরআন এবং সত্যের সাক্ষ্যদান
- কুরআনী ইলমের বরকতে উবাই ইবনে কা’বের মর্যাদা
- কুরআনকে শত্রুর এলাকায় নিয়ে যেও না
- আসহাবে সুফফার ফযিলত
- সুমধুর স্বরে কুরআন পাঠ করো
- কুরআন পড়া শিখে তা ভুলে যাওয়া বড়ই দুর্ভাগ্যের ব্যাপার
- তিনদিনের কম সময়ে কুরআন খতম করোনা
- প্রকাশ্যে অথবা নিরবে কুরআন পড়ার দৃষ্টান্ত
- কুরআনের উপর কার ঈমান গ্রহণযোগ্য
- নবী ( সাঃ ) এর কিরআত পাঠের ধরন
- কতিপয় লোক কুরআনকে দুনিয়া লাভের উপায় বানিয়ে নেবে
- গান ও বিলাপের সুরে কুরআন পাঠ করোনা
- সুমধুর সুরে কুরআন পাঠ সৌন্দর্য বৃদ্ধি করে
- সুকণ্ঠে কুরআন পড়ার অর্থ কি
- কুরআনকে পরকালীন মুক্তির উপায় বানাও
- প্রাথমিক পর্যায়ে আঞ্চলিক উচ্চারনে কুরআন পাঠের অনুমতি ছিল
- দীনী ব্যাপারে মতবিরোধের সীমা এবং সৌজন্যবোধ
- অবিচল ঈমানের অধিকারী সাহাবী
- পঠন ভঙ্গির পার্থক্যের কারনে অর্থের কোন পার্থক্য হয় না
- আঞ্চলিক ভাষায় কুরআন পড়ার অনুমতি
- কুরআন পড়ে শুনানোর পারিশ্রমিক নেয়া অবৈধ
- কুরআনকে জীবিকা অর্জনের উপায়ে পরিনতকারী অপমানিত
- বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম দুই সুরাকে পৃথককারী
- সাহাবাগন কতটা দায়িত্ব নিয়ে কুরআন মুখস্ত করেছেন
- কুরআন মাজীদ কিভাবে একত্রে জমা করা হয়েছিলো
রবিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
কুরআন ও কুরআনের মর্যাদা
শনিবার, ৯ আগস্ট, ২০২৫
শুক্রবার, ২৩ মে, ২০২৫
আর রাহীকুল মাখতূম: একটি অনবদ্য সীরাত-গ্রন্থ
শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫
পাঁচ কালেমা
لاَ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ مُحَمَّدُ رَّسُوْ لُ الله
উচ্চারণঃ লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহ ।
অর্থঃ আল্লাহ ভিন্ন ইবাদত বন্দেগীর উপযুক্ত আর কেহই নাই । হযরত মুহাম্মদ ছাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াছাল্লাম তাঁহার প্রেরিত রসূল ।
(২) কালেমা শাহাদত
اَشْهَدُ اَنْ لاَّ اِلَهَ اِلاَّ اللهُ وَحْدَهُ لاَشَرِيْكَ لَه’ وَاَشْهَدُ اَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُه’ وَرَسُوْلُه’
উচ্চারণঃ আশহাদু আল লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওহদাহু লা-শারীকালাহু ওয়াশহাদু আন্না মুহাম্মাদান আবদুহু ওয়া রাছুলুহু ।
অর্থঃ আমি সাক্ষ্য দিতেছি যে , অল্লাহ ভিন্ন আর কেহই ইবাদতের উপযুক্ত নাই তিনি এক তাঁহার কোন অংশীদার নাই ।আমি আরও সাক্ষ্য দিতেছি যে, হযরত মুহাম্মদ (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) আল্লাহর শ্রেষ্ঠ বান্দা এবং তাঁহার প্রেরিত নবী ।
(৩) কালেমা তাওহীদ
لاَ اِلَهَ اِلاَّ اَنْتَ وَاحِدَ لاَّثَانِىَ لَكَ مُحَمَّدُرَّ سُوْلُ اللهِ اِمَامُ الْمُتَّقِيْنَ رَسُوْ لُرَبِّ الْعَلَمِيْنَ
উচ্চারণ ঃ লা-ইলাহা ইল্লা আনতা ওয়াহেদাল্লা ছানীয়ালাকা মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লা ইমামুল মোত্তাকীনা রাছুলুরাবি্বল আলামীন ।
অর্থঃ আল্লাহ ভিন্ন কেহ এবাদতের যোগ্য নাই । তিনি এক তাঁহার অংশীদার নাই মুহাম্মদ রাসুলুল্লাহ (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) সোত্তাকীনদের (ধর্মভীরুগণের) ইমাম এবং বিশ্বপালকের প্রেরিত ।
(৪) কালেমা তামজীদ
لاَ اِلَهَ اِلاَّ اَنْتَ نُوْرَ يَّهْدِىَ اللهُ لِنُوْرِهِ مَنْ يَّشَاءُ مُحَمَّدُ رَّسَوْ لُ اللهِ اِمَامُ الْمُرْسَلِيْنَ خَا تَمُ النَّبِيِّنَ
উচ্চারণঃ লা-ইলাহা ইল্লা আনতা নুরাইইয়াহ দিয়াল্লাহু লিনুরিহী মাইয়্যাশাউ মুহাম্মাদুর রাসূলুল্লাহি ইমামূল মুরছালীনা খাতামুন-নাবিয়্যীন ।
অর্থঃ হে খোদা! তুমি ব্যতীত কেহই উপাস্য নাই, তুমি জ্যোতিময় । তুমি যাহাকে ইচ্ছা আপন জ্যোতিঃ প্রদর্শন কর । মুহাম্মদ (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) প্রেরিত পয়গম্বরগণের ইমাম এবং শেষ নবী।
(৫) কালেমা রদ্দেকুফর
اَللَّهُمَّ اِنِّىْ اَعُوْذُبِكَ مِنْ اَنْ اُشْرِكَ بِكَ شَيْئً وَاَنَا اعَلَمُ بِهِ وَاَسْتَغْفِرُكَ لِمَا اعَلَمُ بِهِ وَمَا لاَاعَلَمُ بِهِ تُبْتُ عَنْهُ وَتَبَرَّأتُ مِنَ الْكُفْرِ وَالشِّرْكِ وَالْمَعَاصِىْ كُلِّهَا وَاَسْلَمْتُ وَاَمَنْتُ وَاَقُوْلُ اَنْ لاَّاِلَهَ اِلاَّاللهُ مُحَمَّدُ رَّسَوْلُ اللهِ –
উচ্চারণ ঃ আল্লাহুম্মা ইন্নী আউযুবিকা মিন আন উশরিকা বিকা শাইআও ওয়া আনা আলামু বিহি ওয়া আসতাগ ফিরুকা লিমা আলামু বিহি ওয়ামা লা আলামু বিহি তুবতু আনহু ওয়া তাবাররাতু মিনাল কুফরি ওয়াশ্শির্কি ওয়াল মা আছি কুল্লিহা ওয়া আসলামতু ওয়া আমানতু ওয়া আক্বলু আল্লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদু রাসূলুল্লাহ ।
অর্থঃ হে আল্লাহ! আমি তোমার নিকট আশা করছি, যেন কাহাকেও তোমান সহিত অংশীদার না করি । আমার জানা-অজানা গুনাহ হতে ক্ষমা চহিতেছি এবং ইহা হতে তওবা করিতেছি । কুফর, শিরক এবং অন্যান্য সমস্ত গুনাহ হতে বিদুরীত হইতেছি এবং প্রতিজ্ঞা করিতেছি আল্লাহ ব্যতীত অন্য কোন মাবুদ নাই, মুহাম্মদ মুস্তফা (সাল্লাহু আলাইহে ওয়া সাল্লাম) তাঁহার রাসুল ।
শুক্রবার, ১৬ আগস্ট, ২০২৪
ড. খোন্দকার আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর রচিত বইসমূহ
বাংলাদেশের আলেম সমাজের অন্যতম প্রথিতযশা ব্যক্তিত্ব ছিলেন ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর। ইসলাম সম্পর্কে তাঁর সুগভীর পাণ্ডিত্য এবং জ্ঞানগর্ভ আলোচনার কারণে তিনি অতি অল্প সময়ের মধ্যেই বাংলাদেশের সব ধরনের ধর্মপ্রাণ মানুষের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। কিন্তু যুগে যুগে বিখ্যাত ব্যক্তিরা ক্ষণজন্মা হয়ে থাকে। আর প্রকৃতির সেই আমক সত্যকে বাস্তবে রূপদান করে অতি অল্প সময়ের মধ্যেই আমাদের সবার মন জয় করে পৃথিবী ছেড়ে চলে গেছেন ডঃ আব্দুল্লাহ জাহাঙ্গীর। কিন্তু তিনি ইসলামের সেবায় তার অবিনশ্বর কীর্তির মাধ্যমে চিরজীবন আমাদের মনের মনিকোঠায় বসবাস করবেন।
ড. জাহাঙ্গীর ১৯৬১ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঝিনাইদহের ধোপাঘাট গোবিন্দপুর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা খোন্দকার আনওয়ারুজ্জামান ও মায়ের নাম বেগম লুৎফুন্নাহার।
তিনি ঢাকা সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা থেকে ১৯৭৩ সালে দাখিল, ১৯৭৫ সালে আলিম এবং ১৯৭৭ সালে ফাজিল ও ১৯৭৯ সালে হাদিস বিভাগ থেকে কামিল পাস করেন। এরপর তিনি সৌদি আরবের রিয়াদের ইমাম মুহাম্মাদ বিন সাঊদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৮৬ সালে অনার্স, ১৯৯২ সালে মাস্টার্স ও ১৯৯৮ সালে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন।
রিয়াদের অধ্যয়নবালে তিনি বর্তমান সৌদি বাদশা ও তৎকালীন রিয়াদের গভর্নর সালমানের হাত থেকে পর পর দু’বার সেরা ছাত্রের পুরস্কার গ্রহণ করেন। সৌদিতে তিনি শায়খ বিন বায, বিন উসায়মিন, আল জিবরিন ও আল ফাউজানসহ বিশ্ববরেণ্য স্কলারদের সান্নিধ্যে থেকে ইসলাম প্রচারে বিশেষ দীক্ষা গ্রহণ করেন।
রিয়াদে অধ্যয়নকালে তিনি উত্তর রিয়াদ ইসলামি সেন্টারে দাঈ ও অনুবাদক হিসেবে প্রায় তিন বছর কর্মরত ছিলেন। এছাড়াও তিনি ইন্দোনেশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে বিভিন্ন বিষয়ে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন।
ড. আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর সৌদি আরবে শিক্ষা শেষে লোভনীয় চাকরির প্রস্তাব উপেক্ষা করে ইসলাম প্রচার ও সমাজ সংস্কারের উদ্দেশ্যে ফিরে আসেন বাংলাদেশে।
দেশে এসে ইসলাম প্রচারসহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে আত্মনিয়োগ করেন। পেশায় তিনি ছিলেন একজন শিক্ষক। ১৯৯৮ সালে কুষ্টিয়া ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের আল হাদিস অ্যান্ড ইসলামি স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার হিসেবে যোগদান করেন। ২০০৯ সালে তিনি একই বিভাগে প্রফেসর পদে উন্নীত হন। এছাড়াও তিনি ঢাকার ঐতিহ্যবাহী দারুস সালাম মাদ্রাসায় খণ্ডকালীন শায়খুল হাদিস হিসেবে সহিহ বোখারির ক্লাস নিতেন। তিনি ওয়াজ মাহফিলের অত্যন্ত জনপ্রিয় একজন আলোচক ছিলেন। বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে সফর করে তিনি মানুষকে শোনাতেন শাশ্বত ইসলামের বিশুদ্ধ বাণী।
বাংলা ইংরেজি ও আরবি ভাষায় সমাজ সংস্কার, গবেষণা ও শিক্ষামূলক প্রায় পঞ্চাশের অধিক গ্রন্থের রচয়িতা তিনি। তার উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো- এহয়াউস সুনান, তরিকে বেলায়েত, হাদিসের নামে জালিয়াতি, ইসলামের নামে জঙ্গীবাদ ইত্যাদি।
মরহুম আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর ব্যক্তিজীবনে অত্যন্ত সদালাপী, বিনয়ী, উম্মাহর জন্য দরদী, মুখলিস, পরমত সম্মানকারী, যুগসচেতন, ভারসাম্যপূর্ণ, উম্মাহর ঐক্য ভাবনায় বিভোর, প্রাজ্ঞ ও পণ্ডিত হিসেবে সব মহলে সমাদৃত ছিলেন।
ফুরফুরা শরীফের পীর আবদুল কাহহার সিদ্দীকির মেয়ে ফাতেমার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে তিন মেয়ে ও এক ছেলে রয়েছে।
বই ডাউনলোড করুন:
- আল ফিকহুল আকবর
- Allahr_pothe_dawat_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (2.27MB)
- Ehyaus_sunan_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (17.6MB)
- Ekjon_japani_mohilar_islam_o_porda_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (387KB)
- Hadiser_name_jaliyati_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (18.1MB)
- Islami_akida_jahangir_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (18.5MB)
- Islami_hijab_ba_porda_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (1.6MB)
- Jiggasha_o_jobab_01_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (5.71MB)
- Jiggasha_o_jobab_02_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (6.99MB)
- Khutbatul_islam_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (17.5MB)
- Kitabul_muqaddas_injil_shorif_o_isaee_dhormo_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (1.22MB)
- Pobirtro_baibel_porichiti_o_porzzalochana_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (29MB)
- Poshak_porda_o_deho_sojja_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (10.7MB)
- Qurbani_o_jabihullah_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (1.91MB)
- Rahe_belayat_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (19.8MB)
- Ramjan_o_tarabih_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (103KB)
- Sohih_masnun_oyajifa_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (2.22MB)
- A_Woman_From_Desert_Dr_Abdullah_Jahangir.pdf (918KB)




