শিরোনাম
Loading latest headlines...
গ্রন্থ সমূহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
গ্রন্থ সমূহ লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

বুধবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২২

সফল জীবন (আলকামা)

বুধবার, এপ্রিল ২৭, ২০২২ 0
বার দেখা হয়েছে

 

সফল জীবন (আলকামা)

তিনি রাসূলকে (সা) পাননি। পাননি প্রিয় নবীজীর সান্নিধ্য। কিন্তু তাতে কি! তার সেই অপূর্ণতা তিনি নিজের চেষ্টা, সাধনা, ত্যাগ আর রাসূলের (সা) প্রতি প্রতি ভালবাসায় পুশিয়ে নিয়েছিলেন নবীজীর প্রিয় সাহাবীদের মাধ্যমে।


এই আলোকিত মানুষটির নাম আলকামা।

আলকামা হযরত উমর, আলী, আবদুল্লাহ ইবন মাসউদসহ অনেক সাহাবীর সান্নিধ্য পেয়েছিলেন। তাদের জ্ঞান সমুদ্র থেকে কলস ভরে তুলে নিয়েছিলেন জীবন চলার পাথেয়। নিবারণ করেছিলেন তৃষ্ণা।

সত্যের পিপাসা তো এমনিই।

সেই পিপাসা একমাত্র জ্ঞারে সুপেয়, সুনির্মল স্বচ্ছ পানি ছাড়া আর কিছুতেই মেটে না।

আলকামার জ্ঞান তৃষ্ণা ছিল প্রচণ্ড।

ছিল সত্যের প্রতি আনুগত্য এবং অনুরাগ।

আর অঢেল ভালবাসা ছিল আল্লাহর রাসূলের (সা) প্রতি।

ফলে আর শঙ্কা কিসের?

কিসের অভবা?

না, কোনো শঙ্কা নয়। বরং গভীর নিষ্ঠা আর একাগ্রতায় তিনি আল্লাহর কুরআন, রাসূলের আদর্শ এবং তাঁর সার্বিক জ্ঞানে তিনি এতই সমৃদ্ধহয়েওঠেন যে তার অন্যতম শিক্ষক ইবন মাসউদ বলতে বাধ্য হন, ‘আমি যত কিছু পড়েছি ও জেনেছি, তা সবই আলকামা পড়েছে ও জেনেছে।’


আলকামার ছিল অসাধারণ স্মৃতি শক্তি।

অত্যন্ত প্রখর ছিল তার ধারণ-ক্ষমতা।

কোনো কিছু একবার মুখস্থ করলে তা আর ভুলতেন না। সেটা সমুদ্রিত গ্রন্থের মতই রয়ে যেত তার হৃদয়ে।

আলকামা এ প্রসঙ্গে নিজেই বলতেন,

‘যে জিনিস আমি আমার যৌবনে মুখস্থ করেছি তা এখনও আমার হৃদয়ে এমনভাবে গেঁথে আছে, যে তা যখন পাঠ করি, তখন মনে হয় বই দেখে পড়ছি।’

মহান আল্লাহ পাক যাকে জ্ঞানভান্ডার ও মেধা দান করেন, তিনি অবশ্যই ধন্য। আল্লাহর পক্ষ থেকে এ এক বিশাল নিয়ামত।

আলকামাও আল্লাহর এই বিশেষ নিয়ামত পেয়ে ধন্য হয়েছিলেন।

সামান্য কিছু নয়, বরং পুরো হাদিসে হাফেজ ছিলেন। সেই সাথে আল কুরআন এবং আল ফিকাহর জ্ঞানেও ছিলেন সমৃদ্ধ।

আলকামা ছিলেন একজন বড় তাবেঈ। অসাধারণ ছিল তার জ্ঞানভান্ডার। ছিলেণ হাদিসে মুহাদ্দিস এবং হাফেজ।

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, এতবড় একজন হাদিসে হাফেজ ও মুহাদ্দিস নিজেকে কখনই বড় মনে করতেন না। এমনকি মুহাদ্দিস হিসাবে নিজেকে পরিচিত করতেও ছিলেন কুণ্ঠিত ও লজ্জিত।

একেই বলে প্রকৃত জ্ঞানী।

যে গাছে ফল যত বেশি, সেই গাছের ডালগুলি ততোই নুয়ে পড়ে। জ্ঞানীর ক্ষেত্রেও কথাটি সমান প্রযোজ্য।

কিন্তু আজকের চিত্র ভিন্ন। খালি কলস বাজে বেশি- এমন অবস্থা।

আলকামা ছিলেন যেমন জ্ঞানী, তেমনি সত্যনিষ্ঠ ও বিনীয়।

রাসূলের (সা) আদর্শে তিনি তার জীবনকে গড়ে তুলেছিলেন।

সাহাবীরা (রা) ছিলেন তার সামনে রাসূলের (সা) জীবন্ত প্রতিনিধি।

প্রকৃত অর্থে একজন ক্ষুধার্ত ও তৃষ্ণার্ত ব্যক্তির মতই তিনি সাহাবীদের (রা) কাছ থেকে আহরণ করেছেন জ্ঞান ও আত্মার খোরাক।


কী চমৎকার এক নিদর্শন!

যারা রাসূলকে (সা) দেখেনি, তারা ইবন মাসউদকে দেখেই রাসূলের স্বভাব ও বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে ধারণা নিতে পারতো।

আবার যারা ইবন মাসউদকে দেখেনি, তারা আলকামাকে দেখে রাসূল (সা) ও ইবন মাসউদের চরিত্র-বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে অনেক বেশি অবগত হতে পারতো। এটা নিশ্চয়ই কম কথা নয়।

আলকামার এই স্বভাব চরিত্র যেমন ছিল তার হৃদয়ে, তেমনি ছিল তার চাল-চলনে ও নৈমিত্তিক যাপিত জীবনে।

আলকামা আল কুরআনকে তার প্রতিটি কাজের বাহনে রূপ দিয়েছিলেন। ঠিক সেইভাবে রাসূলের (সা) আদর্শকেও জীবনের সকল ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার দিতেন।

জ্ঞঅন চর্চার পাশাপাশি আলকামা ছিলেন জিহাদের ব্যাপারেও সমান সতর্ক। জিহাদের জন্য তিনি ছিলেন পিপাসায় কাতর।


তার ভেতরে ছিল এক সাহসের ফুলকি।

ছিল সমুদ্রে মত গর্জনমুখর।

সেই গর্জন কেবলি ফুঁসে উঠতো তার মধ্যে।

হিজরি বত্রিশ সন।

আমীর মুয়াবিয়ার  সময়কাল।

সামনে কনস্টান্টিনোপল অভিযান সম্পর্কে রাসূলের (সা) একটি ভবিষ্যৎ বাণী ছিল।

এই বাহিনীতে যোগ দিলেন আলকামা।

বাহিনীর সবাই বিজয়ের অংশীদার ও সাক্ষী হওয়ার জন্য শাহাদাতের প্রবল প্রেরণায় ছিলেন উজ্জীবিত।

আর আলকামা?

তিনি তো শহীদি জীবনকে কামনা করেন সর্বক্ষণ।


শুরু হলো জিহাদের যাত্রা। সে ছিল এক দুঃসাহসী অভিযান।

বাহিনীর সবাই প্রাণবন্ত।

একজন মুজাহিদ। নাম ‍মুদিদ। তিনি একটি কিল্লার ওপর আক্রমণের সময় মাথায় বাঁধার জন্য চেয়ে নিলেন আলকামার চাদরটি।

মুজাহিদটি শহীদ হলেন এক পর্যায়ে।

আলকামার চাদরটিও হয়ে উঠলো শহীদের রক্তে লালে লাল!


এই রক্তে রাঙা চাদরটিকে আলকামা অত্যন্ত শ্রদ্ধার সাথে কাঁধে ঝুলিয়ে রাখতেন।

যেতেন জুমআর নামাজেও।

বলতেন, ‘আমি এই চাদরটি আমা কাঁধে এজন্য ঝুলিয়ে রাখি যে, এতে একজন শহীদের খুনের স্পর্শ আছে।’

আহ! কী মমতাভরা উচ্চারণ তার! এত বড় একজন জ্ঞানী তাবেঈ। কত তার মর্যাদা! অথচ তিনি খ্যাতি থেকে তিনি সর্বদা নিজেকে দূরে রাখতেন। গুটিয়ে রাখতেন নিজেকে। মনে-প্রাণে তিনি এটাকে ঘৃণা করতেন। এজন্য এড়িয়ে চলতেন সম্ভাব্য খ্যাতি ও প্রাচারণার পথগুলো।


হযরত আলকামা!

কী অসাধারণ ছিল তার শিক্ষা ও জ্ঞানের বহর!

কী অসাধারণ ছিল তার মানসিক ও নৈতিম শক্তি।

সন্দেহ নেই, এমন ব্যক্তিই তো আল্লাহর পছন্দ। পছন্দ রাসূলেরও (সা)। প্রকৃত অর্থে, আল্লাহ এবং রাসূলকে (সা) ভালবেসে সাহসের পর্বতে সুদৃঢ়ভাবে অবিচল থাকতে পারলেই কেবল অর্জন করা যায় হযরত আলকামা (রহ) মত সফল জীবন।



রবিবার, ৪ জুলাই, ২০২১

হাদিস গ্রন্থ সহীহ আত তিরমিযী, ১ম খেকে ৬ষ্ঠ খণ্ডের pdf বই ডাউনলোড করুন।

রবিবার, জুলাই ০৪, ২০২১ 0
বার দেখা হয়েছে

 


ইমাম হাফিয মুহাম্মাদ বিন ঈসা সাওরাহ আত তিরমিযী রহঃ কর্তৃক সংগ্রহীত হাদিস গ্রন্থ সহীহ আত তিরমিযী, ১ম খেকে ৬ষ্ঠ খণ্ডের pdf বই ডাউনলোড করতে নিচে নামের উপর ক্লিক করুন।


  • হুসাইন আল মাদানী প্রকাশনী কর্তৃক প্রকাশিত
আবার ভিজিট করবেন !!! ধন্যবাদ


সহি হাদিস গ্রন্থ বুখারী শরীফ-Bangla ১ম থেকে ১০ম খন্ডের pdf বই ডাউনলোড

রবিবার, জুলাই ০৪, ২০২১ 0
বার দেখা হয়েছে

 



ইমাম মুহাম্মদ ইসমাইল বুখারী রহ. কর্তৃক সংগৃহীত সহি হাদিস গ্রন্থ বুখারী শরীফ, ১ম থেকে ১০ম খন্ডের pdf বই ডাউনলোড করতে, নিচে নামের উপর ক্লিক করুন।
  • ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক প্রকাশিত

  • তাওহীদ পাবলিকেশন্স কর্তৃক প্রকাশিত
আবার ভিজিট করবেন !!! ধন্যবাদ




রবিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বইঃ তাফসীরে উসমানী

রবিবার, সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে


লেখকঃ

তাফসীরে উসমানী

শাব্বির আহমদ উসমানি
জন্মের তারিখ এবং স্থান: ১১ অক্টোবর, ১৮৮৭, বিজনোর
মরার তারিখ এবং স্থান: ১৩৬৯ হিঃ, বাহাওয়ালপুর রাজ্য
শিক্ষা: দারুল উলুম দেওবন্দ
তাফসীরে উসমানী

শাব্বির আহমদ উসমানি ভারতের একজন মুসলিম পন্ডিত ছিলেন। ১৯৪০ এর দশকে তিনি পাকিস্তান সৃষ্টিতে সমর্থন জানান। তিনি একজন লেখক ধর্মতাত্ত্বিক, বক্তা, রাজনীতিবিদ এবং তাফসির ও হাদিসের পন্ডিত ছিলেন। সেসাথে তিনি শাইখুল হিন্দ মাহমুদুল হাসানের ছাত্র ও খলিফা ছিলেন।




বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০

বই: ছহীহ কিতাবুদ দো’আ

বৃহস্পতিবার, সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২০ 0
বার দেখা হয়েছে

 

 বইটিতে কুরআন ও ছহীহ হাদীছ থেকে দৈনন্দিন প্রয়োজনীয় দো’আসমূহ সংকলিত হয়েছে। পাঠকের সুবিধার্থে ‘ছহীহ কিতাবুদ দো‘আ’ বইটি তিনটি পর্বে বিভক্ত করা হয়েছে। ১ম পর্বে পবিত্র কুরআনের দো‘আ সমূহ, ২য় পর্বে ছালাত সংগান্ত প্রয়োজনীয় দো‘আ সমূহ এবং ৩য় পর্বে রয়েছে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনীয় দো‘আ সমূহ। বইটির ১ম পর্বে উৎস ও আমল সহ ৪৫টি কুরআনী দো‘আ স্থান পেয়েছে। এছাড়া ২য় পর্বে ৩০ টি ও ৩য় পর্বে ৬৭ টি মূল দো‘আসহ প্রায় প্রতিটি ক্ষেত্রে আনুসঙ্গিক অনেক দো‘আর সমাবেশ ঘটেছে। সর্বসাধারণের সুবিধার্থে প্রতিটি দো‘আর বাংলা উচ্চারণ এবং অনুবাদ সহজ ভাষায় পেশ করা হয়েছে। হাদীছের নম্বরসমূহ ‘ইসলামিক ফাউন্ডেশন বাংলাদেশ’ কর্তৃক প্রকাশিত ছহীহ বুখারী এবং এমদাদিয়া লাইব্রেরী, ঢাকা কর্তৃক প্রকাশিত বঙ্গানুবাদ ‘মেশকাত শরীফ’ থেকে গৃহীত হয়েছে। বইটি লিখেছেন মুহাম্মাদ নুরূল ইসলাম।



ফটো গ্যালারী

1/6
ওহুদ যুদ্ধ - হযরত মহাম্মদ (সা:) এর বিপ্লবী জীবন
2/6
মুসলিম নারীর বিধান
3/6
ইসলামি অর্থনীতিতে উপার্জন ও ব্যয়ের নীতিমালা
4 / 6
ইসলামীক জিজ্ঞাসাঃ লাঠি হাতে নিয়ে জুমার খুতবা দেয়া কি সুন্নত?
5/6
মসজিদে নববী যিয়ারতের কিছু আদব-কায়দা
6/6
উম্মাতে মুসলিমার দায়িত্ব

Islam-icon Profile.png